ওয়ান্না-ঝি‘আ-তি গারক-।
ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড-প্রচেষ্টার কথা;
ওয়ান্না-শিতা-তি নাশতা-।
আর ক্ষিপ্রগামীদের ত্বরিত এগুনোয়,
ওয়াছছা-বিহা-তি ছাবহা-।
আর সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণে,
ফাছছা-বিক-তি ছাবক-।
আর অগ্রগামীরা এগিয়েই চলেছে,
ফাল মুদাব্বির-তি আমর-।
তারপর ঘটনানিয়ন্ত্রণকারীদের কথা!
ইয়াওমা তারজুফুরর-জিফাহ।
সেদিন স্পন্দিত হবে বিরাট স্পন্দনে,
তাতবা‘উহার র-দিফাহ।
পরবর্তী ঘটনা তাকে অনুসরণ করবেই।
কূলূবুইঁ ইয়াওমাইযিওঁ ওয়া-জিফাহ।
হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে,
আবসা-রুহা-খা-শি‘আহ।
তাদের চোখ হবে অবনত।
ইয়াকূ লূনা আ ইন্না-লামারদূদূনা ফিল হা-ফিরহ।
তারা বলছে -- "আমরা কি সত্যিই প্রথমাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হব?
আইযা-কুন্না-‘ইজা-মান নাখিরহ।
যখন আমরা গলা-পচা হাড্ডি হয়ে যাব তখনও?
ক-লূতিলকা ইযান কাররতুন খা-ছিরহ।
তারা বলে -- "তাই যদি হয় তবে এ হবে সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।"
ফাইন্নামা-হিয়া ঝাজরতুওঁ ওয়া-হিদাহ ।
কিন্ত এটি নিশ্চয়ই হবে একটি মহাগর্জন,
ফাইযা-হুম বিছছা-হিরহ।
তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।
হাল আতা-কা হাদীছুমূছা-।
তোমার কাছে মূসার কাহিনী পৌঁছেছে কি? --
ইযনা-দা-হু রব্বুহূবিলওয়া-দিল মুকাদ্দাছি তুওয়া-।
যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে --
ইযহাব ইলা-ফির‘আওনা ইন্নাহূতাগা-।
"ফিরআউনের কাছে যাও, সে নিশ্চয়ই বিদ্রোহ করেছে --
ফাকুল হাল্লাকা ইলাআন তাঝাক্ক-।
"তারপর বলো -- 'তোমার কি আগ্রহ আছে যে তুমি পবিত্র হও?’
ওয়া আহদিয়াকা ইলা-রব্বিকা ফাতাখশা-।
আমি তাহলে তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পরিচালিত করব যেন তুমি ভয় করো’।
ফাআর-হুল আ-য়াতাল কুবর-।
তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।
ফাকাযযাবা ওয়া‘আসা-।
কিন্ত সে মিথ্যা আরোপ করল ও অবাধ্য হল।
ছু ম্মা আদবার ইয়াছ‘আ-।
তারপর সে চলে গেল প্রচেষ্টা চালাতে;
ফাহাশার ফানা-দা-।
তারপর সে জড়ো করল এবং ঘোষণা করলো,
ফাক-লা আনা রব্বুকুমুল আ‘লা-।
এবং বললো -- "আমিই তোমাদের প্রভু, সর্বোচ্চ।"
ফাআখাযাহুল্লা-হু নাক-লাল আ-খিরতি ওয়াল ঊলা-।
সেজন্য আল্লাহ্ তাকে পাকড়াও করলেন পরকালের ও পূর্বের জীবনের দৃষ্টান্ত বানিয়ে।
ইন্না ফী যা-লিকা লা‘ইবরতাল লিমাইঁ ইয়াখশা-।
নিঃসন্দেহ এতে বাস্তব শিক্ষা রয়েছে তার জন্য যে ভয় করে।
আ আনতুম আশাদ্দুখালকান আমিছ ছামাউ বানা-হা-।
তোমরা কি সৃষ্টিতে কঠিনতর, না মহাকাশ? তিনিই এ-সব বানিয়েছেন।
রফা‘আ ছামকাহা-ফাছাওয়া-হা-।
তিনি এর উচ্চতা উন্নীত করেছেন, আর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
ওয়া আগতাশা লাইলাহা-ওয়া আখরজা দুহা-হা-।
আর এর রাতকে তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন, আর বের করে এনেছেন এর দিবালোক।
ওয়াল আর দা বা‘দা যা-লিকা দাহা-হা-।
আর পৃথিবী -- এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।
আখরজা মিনহা-মাআহা-ওয়া মার‘আ-হা-।
এর থেকে তিনি বের করেছেন তার জল, আর তার চারণভূমি।
ওয়াল জিবা-লা আরছা-হা।
আর পাহাড়-পর্বত -- তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, --
মাতা-‘আল্লাকুম ওয়ালি আন‘আ-মিকুম।
তোমাদের জন্য ও তোমাদের গবাদি-পশুর জন্য খাদ্যের আয়োজন।
ফাইযা-জাআত্তিত্তাম্মাতুল কুবর-।
তারপর যখন ভীষণ দুর্বিপাক আসবে,
ইয়াওমা ইয়াতাযাক্কারুল ইনছা-নুমা-ছা‘আ-।
সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে যার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল,
ওয়া বুররিঝাতিল জাহীমুলিমাইঁ ইয়ার-।
আর ভয়ংকর আগুন দৃষ্টিগোচর করানো হবে যে দেখে তার জন্য।
ফাআম্মা-মান তাগা-।
তাছাড়া তার ক্ষেত্রে যে সীমালংঘন করেছে,
ওয়া আ-ছারল হায়া-তাদ্দুনইয়া-।
এবং দুনিয়ার জীবনকেই বেছে নিয়েছে,
ফাইন্নাল জাহীমা হিয়াল মা’ওয়া-।
সেক্ষেত্রে অবশ্য ভয়ংকর আগুন, -- সেটাই তো বাসস্থান।
ওয়া আম্মা-মান খা-ফা মাক-মা রব্বিহী ওয়া নাহান্নাফছা ‘আনিল হাওয়া-।
পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আত্মাকে কামনা-বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে --
ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মা’ওয়া।
সেক্ষেত্রে অবশ্য জান্নাত, -- সেটাই তো বাসস্থান।
ইয়াছা‘আলূনাকা ‘আনিছ ছা-‘আতি আইইয়া-না মুরছা-হা-।
তারা ঘড়ি-ঘান্টা সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে -- কখন তার আগমন হবে?"
ফীমা আনতা মিন যিকর-হা-।
এ-সন্বন্ধে বলবার মতো তোমার কী আছে?
ইলা-রব্বিকা মুনতাহা-হা-।
এর চরম সীমা রয়েছে তোমার প্রভুর নিকট।
ইন্নামাআনতা মুনযিরু মাইঁ ইয়াখশা-হা-।
তুমি তো শুধু সতর্ককারী তার জন্য যে এ-সন্বন্ধে ভয় করে।
কাআন্নাহুম ইয়াওমা ইয়ারওনাহা-লাম ইয়ালবাছূইল্লা-‘আশিইইয়াতান আও দুহা- হা।
যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।