كَأَنَّهُمۡ يَوۡمَ يَرَوۡنَهَا لَمۡ يَلۡبَثُوٓاْ إِلَّا عَشِيَّةً أَوۡ ضُحَىٰهَا

কাআন্নাহুম ইয়াওমা ইয়ারওনাহা-লাম ইয়ালবাছূইল্লা-‘আশিইইয়াতান আও দুহা- হা।উচ্চারণ

যেদিন এরা তা দেখে নেবে সেদিন এরা অনুভব করবে যেন (এরা দুনিয়ায় অথবা মৃত অবস্থায়) একদিন বিকালে বা সকালে অবস্থান করেছে মাত্র। ২৪ তাফহীমুল কুরআন

যে দিন তারা তা দেখতে পাবে সে দিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায় বা কবরে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী

যেদিন তারা এটা প্রত্যক্ষ করবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাতের অধিক অবস্থান করেনি।মুজিবুর রহমান

যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যেই দিন এরা এটা প্রত্যক্ষ করবে সেই দিন এদের মনে হবে যেন এরা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা বা এক প্রভাত অবস্থান করেছে!ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।আল-বায়ান

যেদিন তারা তা দেখবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (পৃথিবীতে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি।তাইসিরুল

যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৪

এ বিষয়বস্তুটি এর আগেও কুরআনের আরো কয়েকটি জায়গায় বর্ণনা করা হয়েছে। সেগুলোর ব্যাখ্যা আমি সেখানে করে এসেছি। এজন্য তাফহীমুল কুরআন সূরা ইউনুস ৫৩ টীকা, বনী ইসরাঈল ৫৬ টীকা, ত্বা-হা ৮০ টীকা, আল মু’মিনূন ১০১ টীকা, আর রূম ৮১-৮২ টীকা ও ইয়াসীন ৪৮ টীকা দেখুন। এছাড়াও সূরা আহকাফের ৩৫ আয়াতেও এ বিষয়বস্তুটি বর্ণিত হয়েছে। তবে সেখানে আমি এর ব্যাখ্যা করিনি। কারণ এর আগেও কয়েক জায়গায় এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ তোমার কাজ কিয়ামতের দিন-ক্ষণ জানানো নয়; বরং কিয়ামত যে অবশ্যম্ভাবী তা জানানো এবং তার বিভীষিকা সম্পর্কে সতর্ক করা। যদিও এ সতর্কীকরণ সকলের জন্যই ব্যাপক, কিন্তু এর দ্বারা উপকৃত হয় কেবল তারাই, যারা সে দিনকে ভয় করে। এ কারণেই বিশেষভাবে তাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৪৬. যেদিন তারা তা দেখতে পাবে সেদিন তাদের মনে হবে যেন তারা দুনিয়ায় মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্ৰভাত অবস্থান করেছে!(১)

(১) দুনিয়ার জীবনের স্বল্পতার বিষয়বস্তুটি পবিত্র কুরআনের অন্যান্য স্থানেও বর্ণিত হয়েছে। যেমন, সূরা ইউনুস, আল-ইসরা, ত্বা-হা, আল-মুমিনুন, আর-রূম, ইয়াসীন ও আহকাফে এ দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৪৬। যেদিন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাতকাল অবস্থান করেছে। (1)

(1) عشية যোহর থেকে নিয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এবং ضحى সূর্যোদয় থেকে নিয়ে দুপুর পর্যন্ত সময়কে বলা হয়। অর্থাৎ, যখন কাফেররা জাহান্নামের আযাব প্রত্যক্ষ করবে তখন দুনিয়ার আরাম-বিলাসিতা এবং তার মজা সব কিছু ভুলে যাবে। আর তাদের এমন মনে হবে যে, তারা দুনিয়াতে পুরো একটি দিনও অবস্থান করেনি; বরং দিনের প্রথম ভাগ অথবা শেষ ভাগ কেবলমাত্র অবস্থান করেছিল। অর্থাৎ, পার্থিব জীবনটা তাদের কাছে খুবই স্বল্পক্ষণের মনে হবে।