فَأَرَىٰهُ ٱلۡأٓيَةَ ٱلۡكُبۡرَىٰ

ফাআর-হুল আ-য়াতাল কুবর-।উচ্চারণ

তারপর মূসা ফেরাউনের কাছে গিয়ে তাকে বড় নিদর্শন দেখালো। তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর মূসা তাকে দেখাল মহা নিদর্শন। মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর সে তাকে মহা নিদর্শন দেখালো।মুজিবুর রহমান

অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন দেখাল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর সে একে মহানিদর্শন দেখাল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।আল-বায়ান

অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।তাইসিরুল

তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

বড় নিদর্শন বলতে এখানে লাঠির অজগর হয়ে যাওয়ার কথাই বুঝানো হয়েছে। কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে এর উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্যি একটি নিষ্প্রাণ লাঠির মানুষের চোখের সামনে একটি জলজ্যান্ত অজগর সাপে পরিণত হওয়া, যাদুকরেরা এর মোকাবিলায় লাঠি ও দড়ি দিয়ে যেসব কৃত্রিম অজগর বানিয়ে দেখিয়েছিল সেগুলোকে টপাটপ গিলে ফেলা এবং হযরত মূসা (আ) যখন একে ধরে উঠিয়ে নিলেন তখন আবার এর লাঠি হয়ে যাওয়া, এর চাইতে বড় নিদর্শন আর কী হতে পারে? এসব একথারই সুস্পষ্ট আলামত যে, আল্লাহ‌ রব্বুল আলামীনেরই পক্ষ থেকে হযরত মূসা (আ) প্রেরিত হয়েছিলেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ এই মোজেযা ও নিদর্শন দেখালেন যে, তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, অমনি তা বিশাল সাপ হয়ে গেল আর বগলের মধ্যে হাত রাখলেন, অমনি তা চমকাতে শুরু করল। দেখুন তোয়াহা (২০ : ১৭-২২)।

তাফসীরে জাকারিয়া

২০. অতঃপর তিনি তাকে মহানিদর্শন দেখালেন।(১)

(১) বড় নিদর্শন বলতে সবগুলো মুজিযা উদ্দেশ্য হতে পারে। আবার লাঠির অজগর হয়ে যাওয়া এবং হাত শুভ্র হওয়ার কথাও বুঝানো হতে পারে। (কুরতুবী, মুয়াস্‌সার)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২০। অতঃপর সে তাকে মহা নিদর্শন দেখাল। (1)

(1) অর্থাৎ, নিজের সত্যতার জন্য সেই সকল প্রমাণ পেশ করলেন, যা তিনি আল্লাহর তরফ হতে প্রাপ্ত হয়েছিলেন। কেউ কেউ বলেন, ‘মহা নিদর্শন’-এর উদ্দেশ্য হল সেই মু’জিযা (অলৌকিক বস্তু)সমূহ যা মূসা (আঃ)-কে দান করা হয়েছিল। যেমন, হাতের শুভ্রতা এবং লাঠি। আবার কারো কারো মতে উদ্দেশ্য হল, তাঁকে দেওয়া নয়টি নিদর্শন।