ফাইযা-হুম বিছছা-হিরহ।উচ্চারণ
এবং হঠাৎ তারা হাযির হবে একটি খোলা ময়দানে। ৫ তাফহীমুল কুরআন
অমনি তারা খোলা মাঠে আবির্ভূত হবে।মুফতী তাকী উসমানী
ফলে তখনই মাইদানে তাদের আবির্ভাব হবে।মুজিবুর রহমান
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তখনই ময়দানে এদের আবির্ভাব হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।আল-বায়ান
সহসাই তারা খোলা ময়দানে আবির্ভূত হবে।তাইসিরুল
তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।মাওলানা জহুরুল হক
৫
অর্থাৎ তারা এটাকে একটি অসম্ভব কাজ মনে করে একে বিদ্রূপ করছে। অথচ আল্লাহর জন্য এটা কোন কঠিন কাজ নয়। এ কাজটি করতে তাঁকে কোন বড় রকমের প্রস্তুতি নিতে হবে না। এর জন্য শুধুমাত্র একটি ধমক বা ঝাঁকুনিই যথেষ্ট। সঙ্গে সঙ্গেই তোমাদের শরীরের ধ্বংসাবশেষ মাটি বা ছাই যে কোন আকারেই থাক না কেন সবদিক থেকে উঠে এসে এক জায়গায় জমা হবে এবং অকস্মাৎ তোমরা নিজেদেরকে পৃথিবীর বুকে জীবিত আকারে দেখতে পাবে। এ ফিরে আসাকে যতই ক্ষতিকর মনে করে তোমরা তা থেকে পালিয়ে থাকার চেষ্টা করো না কেন, এ ঘটনা অব্যশই ঘটবে। তোমাদের অস্বীকার, পালায়ন প্রচেষ্টা বা ঠাট্টা-বিদ্রূপে এটা থেমে যাবে না।
১৪. তখনই ময়দানে(১) তাদের আবির্ভাব হবে।
(১) আয়াতে বর্ণিত ساهرة শব্দের অর্থ সমতল ময়দান। কেয়ামতে পূনরায় যে ভূপৃষ্ঠ সৃষ্টি করা হবে, তা সমতল হবে। একেই আয়াতে ساهرة বলে ব্যক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ জমিনের উপরিভাগও হতে পারে। (ইবন কাসীর)
১৪। ফলে তখনই ময়দানে তাদের আবির্ভাব হবে।(1)
(1) ساهرة -এর (শাব্দিক অর্থ হলঃ জাগরণভূমি) এখানে এর উদ্দেশ্য হল যমীনের উপরিভাগ; অর্থাৎ, ময়দান। যমীনের উপরিভাগকে ساهرة এই জন্য বলা হয়েছে যে, সমস্ত প্রাণীর শয়ন ও জাগরণ এই যমীনের উপরই হয়ে থাকে। আবার কেউ কেউ বলেন, যেহেতু বৃক্ষহীন ময়দান এবং মরুভূমিতে নানা ভয়ের কারণে মানুষের নিদ্রা উড়ে যায় এবং তারা জেগে থাকে, সেহেতু অনুরূপ ময়দানকে ساهرة বলা হয়। (ফতহুল ক্বাদীর) মোট কথা, এ হল কিয়ামতের দৃশ্য-বিবরণ যে, একটি ফুৎকারের ফলেই সমস্ত মানুষ একটি ময়দানে জমায়েত হয়ে যাবে।