ইযনা-দা-হু রব্বুহূবিলওয়া-দিল মুকাদ্দাছি তুওয়া-।উচ্চারণ
যখন তার রব তাকে পবিত্র ‘তুওয়া’ উপত্যকায় ৭ ডেকে বলেছিলেন, তাফহীমুল কুরআন
যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র ‘তুওয়া’ উপত্যকায় ডাক দিয়ে বলেছিলেন মুফতী তাকী উসমানী
যখন তার রাব্ব পবিত্র ‘তূওয়া’ প্রান্তরে তাকে সম্বোধন করে বলেছিলেন –মুজিবুর রহমান
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন তার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া-য় তাকে আহ্বান করে বলেছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,আল-বায়ান
যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র তুয়া প্রান্তরে ডাক দিয়ে বলেছিলেনতাইসিরুল
যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে --মাওলানা জহুরুল হক
৭
পবিত্র তুওয়া উপত্যকার অর্থ বর্ণনা করে সাধারণভাবে মুফাসসিরগণ বলেছেনঃ “সেই পবিত্র উপত্যকাটি যার নাম ছিল তুওয়া” কিন্তু এছাড়া এর আরো দু’টি অর্থও হয়। এক, “যে উপত্যকাটিকে দু’বার পবিত্র করা হয়েছে।” কারণ মহান আল্লাহ হযরত মূসা (আ) কে সেখানে সম্বোধন করে প্রথম বার তাঁকে পবিত্র করেন। আর হযরত মূসা বনী ইসরাঈলকে মিসর থেকে বের করে এনে এ উপত্যকায় অবস্থান করলে আল্লাহ তাঁকে দ্বিতীয়বার পবিত্রতার মর্যাদায় ভূষিত করেন। দুই “রাতে পবিত্র উপত্যকায় সম্বোধন করেন।” আরবী প্রবাদে বলা হয়ঃ جَاءَ بَعْدُ طَِوىَ অর্থাৎ উমুক ব্যক্তি রাতের কিছু অংশ অতিক্রম করার পর এসেছিল।
‘তুওয়া উপত্যকা’ দ্বারা সিনাই মরুভূমির সেই উপত্যকা বোঝানো হয়েছে, যেখানে হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে নবুওয়াত দান করা হয়েছিল। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য সূরা তোয়াহা (২০ : ৯-৪৮) টীকাসহ দেখুন।
১৬. যখন তাঁর রব পবিত্র উপত্যকা ‘তুওয়া’য় তাকে ডেকে বলেছিলেন,
১৬। যখন তার প্রতিপালক পবিত্র ত্বুয়া উপত্যকায় তাকে আহবান করে বলেছিলেন, (1)
(1) এটি ঐ সময়কার ঘটনা, যখন মূসা (আঃ) মাদয়ান শহর থেকে ফিরার পথে আগুন খোঁজার জন্য ত্বূর পাহাড়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি গাছের অন্তরাল থেকে আল্লাহ তাআলা মূসা (আঃ)-এর সাথে কথোপকথন করেছিলেন। যেমন, তার বিস্তারিত বর্ণনা সূরা ত্বাহার শুরুতে রয়েছে। ‘ত্বুয়া’ ঐ জায়গাকেই বলা হয়। কথোপকথনের উদ্দেশ্য হল, রিসালাত ও নবুঅত দানের মাধ্যমে তাঁকে সম্মানিত করা। অর্থাৎ, মূসা (আঃ) আগুন আনার জন্য গেলেন তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে রিসালাত দান করলেন।