ওয়া আম্মা-মান খা-ফা মাক-মা রব্বিহী ওয়া নাহান্নাফছা ‘আনিল হাওয়া-।উচ্চারণ
আর যে ব্যক্তি নিজের রবের সামনে এসে দাঁড়াবার ব্যাপারে ভীত ছিল এবং নফসকে খারাপ কামনা থেকে বিরত রেখেছিল তাফহীমুল কুরআন
আর যে ব্যক্তি নিজ প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ভয় পোষণ করত এবং নিজেকে মন্দ চাহিদা হতে বিরত রাখতমুফতী তাকী উসমানী
পক্ষান্তরে যে স্বীয় রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং কুপ্রবৃত্তি হতে নিজেকে বিরত রাখে,মুজিবুর রহমান
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হতে নিজকে বিরত রাখে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,আল-বায়ান
আর যে লোক তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করেছিল এবং নিজেকে কামনা বাসনা থেকে নিবৃত্ত রেখেছিল,তাইসিরুল
পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আত্মাকে কামনা-বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে --মাওলানা জহুরুল হক
৪০. আর যে তার রবের অবস্থানকে(১) ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি হতে নিজকে বিরত রাখে,
(১) রবের অবস্থানের দু'টি অর্থ হতে পারে, এক. রবের সামনে হাজির হয়ে হিসাব নিকাশের সম্মুখীন হতে হবে- এ বিশ্বাস করে প্রবৃত্তির অনুসরণ হতে যে নিজেকে হেফাযত করেছে তার জন্য রয়েছে জান্নাত। দুই. রবের যে সুমহান মর্যাদা তাঁর এ উচ্চ মর্তবার কথা স্মরণ করে অন্যায় অশ্লিল কাজ এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে বিরত থেকেছে সে জান্নাতে যাবে। উভয় অর্থই এখানে সঠিক। (বাদা’ই'উত তাফসীর)
৪০। পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রেখেছে(1) এবং কুপ্রবৃত্তি হতে নিজেকে বিরত রেখেছে, (2)
(1) এই ভয় যে, যদি আমি পাপ এবং আল্লাহর নাফরমানী করি তাহলে আমাকে আল্লাহ হতে কেউ বাঁচাতে পারবে না। এ জন্যই সে পাপাচার থেকে দূরে থেকেছে।
(2) অর্থাৎ, নিজেকে সেই সব পাপাচার এবং হারামকৃত জিনিসে লিপ্ত হওয়া থেকে বাঁচাত, যে দিকে তার মন আকৃষ্ট হত।