ওয়াল মুরছালা- তি ‘উরফা- ।
ভাবো প্রেরিতপুরুষগণের কথা -- একের পর এক,
ফাল ‘আ- সিফা- তি ‘আসফা- ।
আর ভাবো ঝড়ের মতো আসা দমকা হাওয়ার কথা,
ওয়ান্না- শির- তি নাশর- ।
আর ভাবো যারা ছড়াচ্ছে ছড়ানোর মতো,
ফালফা- রিক- তি ফারক- ।
তারপর আলাদা করে দেয় আলাদা করণে,
ফাল মুলকিয়া-তি যিকর- ।
তারপর গেথে দেঁয় স্মারক গ্রন্থ, --
‘উযরন আও নুযর- ।
পরিশোধিত করতে অথবা সতর্ক করতে।
ইন্নামা- তূ‘আদূনা লাওয়া-কি‘।
নিশ্চয় তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা অবশ্যই ঘটতে যাচ্ছে।
ফাইযান নুজূমুতুমিছাত।
সুতরাং যখন তারাগুলো ঝিমিয়ে পড়বে।
ওয়া ইযাছছামাউ ফুরিজাত।
আর যখন আকাশ ভেঙ্গে পড়বে,
ওয়া ইযাল জিবা-লুনুছিফাত।
আর যখন পাহাড়গুলোকে উড়িয়ে দেওয়া হবে,
ওয়া ইযাররুছুলুউককিতাত।
আর যখন রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে নিয়ে আসা হবে --
লিআইয়ি ইয়াওমিন উজ্জিলাত।
কোন সে দিনের জন্য ধার্য রাখা হয়েছে?
লিইয়াওমিল ফাসল;
ফয়সালার দিনের জন্য।
ওয়ামাআদর-কা মা- ইয়াওমুল ফাসল।
আর কী তোমাকে বুঝতে দেবে ফয়সালার দিনটি কি?
ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন।
ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য!
আলাম নুহলিকিল আওওয়ালীন।
আমরা কি পূর্ববর্তীদের নিধন করি নি?
ছু ম্মা নুতবি‘উহুমুল আ-খিরীন।
তারপর পরবর্তীদেরও আমরা তাদের অনুগমন করাব।
কাযা-লিকা নাফ‘আলুবিলমুজরিমীন।
এইভাবেই আমরা অপরাধীদের প্রতি আচরণ করে থাকি।
ধিক সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!
আলাম নাখলুককুম মিম মাইম্মাহীন।
তোমাদের কি আমরা সৃষ্টি করি নি এক তুচ্ছ জলীয় পদার্থ থেকে?
ফাজা‘আলনা-হু ফী কার-রিম মাকীন।
তারপর আমরা তা স্থাপন করি এক সুরক্ষিত স্থানে, --
ইলা- কাদারিমমা‘লূম।
এক অবহিত পরিমাপ পর্যন্ত;
ফাকাদারনা- ফানি‘মাল ক-দিরূন।
তারপর আমরা বিন্যস্ত করি, সুতরাং কত নিপুণ বিন্যাসকারী আমরা!
ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!
আলাম নাজ ‘আলিল আরদা কিফা-তা- ।
আমরা কি পৃথিবীটাকে বানাই নি আধাররূপে --
আহইয়াআওঁ ওয়া আমওয়া-তা- ।
জীবিত ও মৃত, --
ওয়া জা‘আলনা-ফীহা-রওয়া-ছিয়া শা-মিখা-তিওঁ ওয়া আছকাইনা-কুমমাআন ফুরতা- ।
আর তাতেই তো আমরা বানিয়েছি উঁচু পাহাড়-পর্বত, আর তোমাদের পান করতে দিয়েছি সুপেয় পানি?
ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।
ইনতালিকূইলা- মা- কুনতুম বিহী তুকাযযিবূন।
"তোমরা চলো তারই দিকে যাকে তোমরা অস্বীকার করতে, --
ইনতালিকূইলা-জিলিলন যী ছালা-ছিশু‘আব।
"চলো সেই ছায়ার দিকে যার রয়েছে তিনটি স্তর, --
লা- জালীলিওঁ ওয়ালা- ইউগনী মিনাল্লাহাব।
"যা ছায়াময় নয় এবং অগ্নিশিখা থেকে রক্ষা করার মতোও নয়।
ইন্নাহা- তারমী বিশাররিন কাল কাসরি।
"নিঃসন্দেহ এটি স্ফুলিঙ্গ তোলে অট্টালিকার আকারে,
কাআন্নাহূজিমা-লাতুন সুফর।
যেন সেগুলো হলুদবরণ উটের পাল।
হা-যা- ইয়াওমুলা- ইয়ানতিকূন।
এ হচ্ছে ঐ দিন যেদিন তারা কোনো কথা বলতে পারবে না,
ওয়ালা- ইউ’যানুলাহুম ফাইয়া‘তাযিরূন।
আর তাদের অনুমতি দেওয়া হবে না যেন তারা অজুহাত দেখাতে পারে।
ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখানকারীদের প্রতি!
হা-যা- ইয়াওমুল ফাসলি জামা‘না-কুম ওয়াল আওওয়ালীন।
এই হচ্ছে ফয়সালা করার দিন, আমরা তোমাদের সমবেত করেছি, আর পূর্ববর্তীদেরও।
ফাইন ক-না লাকুম কাইদুন ফাকীদূন।
সুতরাং তোমাদের যদি কোনো কলাকৌশল থাকে তাহলে আমার বিরুদ্ধে অপকৌশল চালাও।
ইন্নাল মুত্তাকীনা ফী জিলালিওঁ ওয়া‘উয়ূন।
নিশ্চয় ধর্মভীরুরা থাকবে স্নিগ্ধছায়ায় ও ফোয়ারাগুলোতে,
ওয়া ফাওয়া-কিহা মিম্মা- ইয়াশতাহূন।
আর ফলফসলের মধ্যে যা তারা পেতে চায়।
কুলূওয়াশরবূহানীআম বিমা- কুনতুম তা‘মালূন।
খাও আর পিয়ো মহানন্দে যা তোমরা করে চলেছিলে সেজন্য।
ইন্না- কাযা-লিকা নাজঝিল মুহছিনীন।
নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।
কুলূওয়া তামাত্তা‘ঊ কালীলান ইন্নাকুম মুজরিমূন।
খাও-দাও আর ভোগ করে নাও অল্পকালের জন্য -- তোমরা তো অপরাধী!"
ওয়া ইযা- কীলা লাহুমুরকা‘ঊ লা-ইয়ারকা‘ঊন।
আর যখন তাদের বলা হয় "নত হও", তারা নত হয় না।
ফাবিআইয়ি হাদীছিম বা‘দাহূইউ’মিনূন।
অতএব এর পরে আর কোন বাণীতে তারা বিশ্বাস করবে?