হা-যা- ইয়াওমুলা- ইয়ানতিকূন।উচ্চারণ
এটি সেদিন যেদিন তারা না কিছু বলবে তাফহীমুল কুরআন
তা এমন এক দিন, যে দিন লোকে কথা বলতে পারবে না।মুফতী তাকী উসমানী
ইহা এমন একদিন যেদিন কারও বাকস্ফুর্তি হবেনা।মুজিবুর রহমান
এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটা এমন একদিন যেদিন কারও বাকস্ফ‚র্তি হবে না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এটা এমন দিন যেদিন তারা কথা বলবে না।আল-বায়ান
এদিন এমন যে, কেউ কথা বলতে পারবে না,তাইসিরুল
এ হচ্ছে ঐ দিন যেদিন তারা কোনো কথা বলতে পারবে না,মাওলানা জহুরুল হক
৩৫. এটা এমন এক দিন যেদিন না তারা কথা বলবে(১),
(১) অর্থাৎ সেদিন কেউ কথা বলতে পারবে না এবং কাউকে কৃতকর্মের ওযর পেশ করার অনুমতি দেয়া হবে না। অন্যান্য আয়াতে কাফেরদের কথা বলা এবং ওযর পেশ করার কথা রয়েছে। সেটা এর পরিপন্থী নয়। কেননা, হাশরের ময়দানে বিভিন্ন স্থান আসবে। কোন স্থানে ওযর পেশ করা নিষিদ্ধ থাকবে এবং কোন স্থানে অনুমতি দেয়া হবে। (ইবন কাসীর)
(৩৫) এটা এমন একদিন যেদিন কারো মুখে কথা ফুটবে না। (1)
(1) হাশরের ময়দানে কাফেরদের বিভিন্ন অবস্থা হবে। একটি সময় এমনও হবে যখন তারা সেখানেও মিথ্যা বলবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাদের মুখে মোহর মেরে দেবেন এবং তাদের হাত-পা সাক্ষ্য দেবে। তারপর যখন তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হবে, তখন অতীব চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতিতে তাদের জবান বোবা হয়ে যাবে। কেউ কেউ বলেছেন, তারা কথা তো বলবে; কিন্তু তাদের (বাঁচার) কোন হুজ্জত-দলীল থাকবে না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে যে, মনে হবে তারা যেন কথা বলতেই জানে না। যেমন, যার কাছে কোন যুক্তিগ্রাহ্য ওজর বা সন্তোষজনক দলীল থাকে না, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে দুনিয়াতে আমরা বলি যে, সে তো আমাদের সামনে কথা বলতেই পারবে না।