কাআন্নাহূজিমা-লাতুন সুফর।উচ্চারণ
(উৎক্ষেপণের সময় যা দেখে মনে হবে) তবে যেন হলুদ বর্ণের উট। ১৯ তাফহীমুল কুরআন
মনে হবে তা হলুদ বর্ণের উট। #%১১%#মুফতী তাকী উসমানী
উহা পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী সদৃশ।মুজিবুর রহমান
যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তা পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী সদৃশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তা যেন হলুদ উষ্ট্রী।আল-বায়ান
যেন হলুদ রঙ্গের উটের সারি,তাইসিরুল
যেন সেগুলো হলুদবরণ উটের পাল।মাওলানা জহুরুল হক
১৯
অর্থাৎ প্রত্যেকটি স্ফুলিঙ্গ প্রাসাদের মত বড় হবে। আর যখন এসব বড় বড় স্ফূলিঙ্গ উত্থিত হয়ে ছড়িয়ে পড়বে এবং চারদিকে উড়তে থাকবে তখন মনে হবে যেন হলুদ বর্ণের উটসমূহ লম্ফ ঝম্ফ করছে।
এখানে বলা হয়েছে যে, জাহান্নামের অগ্নিশিখা এত বড় হবে, যাকে বড়-বড় অট্টালিকার সাথে তুলনা করা চলে আর তা থেকে যে স্ফুলিঙ্গ বিচ্ছুরিত হবে তা হবে হলুদ রংয়ের উটের মত।
৩৩. তা যেন পীতবর্ণ উটের শ্রেণী(১),
(১) অর্থাৎ জাহান্নামের প্রত্যেকটি স্ফুলিঙ্গ প্রাসাদের মত বড় হবে। আর যখন এসব বড় বড় স্ফূলিঙ্গ উত্থিত হয়ে ছড়িয়ে পড়বে এবং চারদিকে উড়তে থাকবে তখন মনে হবে যেন কালো কিছুটা হলুদ বর্ণের উটসমূহ লম্ফ ঝম্ফ করছে। (মুয়াস্সার)
(৩৩) ওটা হলুদ বরণ উটদলের মত। (1)
(1) صُفْرٌ হল أَصْفَرٌ এর বহুবচন (হলুদ বর্ণ)। কিন্তু আরবদের নিকট এর ব্যবহার কালো অর্থেও হয়ে থাকে। এই দিক দিয়ে অর্থ হবে, তার এক একটি স্ফুলিঙ্গ এত বড় হবে, যেমন অট্টালিকা বা দুর্গ। আবার প্রত্যেক স্ফুলিঙ্গের আরো অনেক বড় বড় খন্ড হবে, যেমন হয় উট।