إِنَّ ٱلۡمُتَّقِينَ فِي ظِلَٰلٖ وَعُيُونٖ

ইন্নাল মুত্তাকীনা ফী জিলালিওঁ ওয়া‘উয়ূন।উচ্চারণ

মুত্তাকীরা ২২ আজ সুশীলত ছায়া ও ঝর্ণাধারার মধ্যে অবস্থান করছে। তাফহীমুল কুরআন

যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে তারা অবশ্যই ছায়া ও প্রস্রবণের মধ্যে থাকবে।মুফতী তাকী উসমানী

মুত্তাকীরা থাকবে ছায়ায় ও প্রস্রবণ বহুল স্থানে।মুজিবুর রহমান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে-মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

অবশ্যই মুত্তাকীরা থাকবে ছায়ায় ও প্রস্রবণবহুল স্থানে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া ও ঝর্ণাবহুল স্থানে,আল-বায়ান

মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া আর ঝর্ণাধারার মাঝে,তাইসিরুল

নিশ্চয় ধর্মভীরুরা থাকবে স্নিগ্ধছায়ায় ও ফোয়ারাগুলোতে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২২

এখানে এ শব্দটি যেহেতু مُكَذِّبِيۡنَ (মিথ্যা আরোপকারীদের) বিপরীতে ব্যবহৃত হয়েছে তাই মুত্তাকী শব্দ বলে এখানে সেসব লোকদের বুঝানো হয়েছে যারা আখেরাতকে মিথ্যা বলে অস্বীকার করা থেকে বিরত থেকেছে এবং আখেরাতকে মেনে নিয়ে বিশ্বাসে জীবন যাপন করেছে যে, আখেরাতে আমাদেরকে নিজেদের কথাবার্তা কাজ-কর্ম এবং স্বভাব চরিত্র ও কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৪১. নিশ্চয় মুত্তাকীরা(১) থাকবে ছায়ায় ও প্রস্রবণ বহুল স্থানে,

(১) মুত্তাকী শব্দ বলে এখানে সেসব লোকদের বুঝানো হয়েছে যারা আখেরাতকে মিথ্যা বলে অস্বীকার করা থেকে বিরত থেকেছে এবং আখেরাতকে মেনে নিয়ে এ বিশ্বাসে জীবন যাপন করেছে যে, আখেরাতে আমাদেরকে নিজেদের কথাবার্তা, কাজ-কর্ম এবং স্বভাব চরিত্র ও কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। তাই কথাবার্তা, কাজকর্মে সত্যবাদিতার প্রমাণ রেখেছে এবং তারা ফরয ও ওয়াজিব সঠিক মত আদায় করেছে। (দেখুন: সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪১) আল্লাহ-ভীরুরা থাকবে ছায়া(1) ও ঝরনাসমূহে।

(1) অর্থাৎ, বৃক্ষাদি এবং অট্টালিকার ছায়া। মুশরিকদের ন্যায় আগুনের ধোঁয়ার ছায়া হবে না।