فَقَدَرۡنَا فَنِعۡمَ ٱلۡقَٰدِرُونَ

ফাকাদারনা- ফানি‘মাল ক-দিরূন।উচ্চারণ

তাহলে দেখো, আমি তা করতে পেরেছি। অতএব আমি অত্যন্ত নিপুণ ক্ষমতাধর। ১৩ তাফহীমুল কুরআন

তারপর আমি তাতে পরিমিত রূপ দান করি। সুতরাং আমি কতই না উত্তম রূপদাতা! মুফতী তাকী উসমানী

আমি এটাকে গঠন করেছি পরিমিতভাবে, আমি কত নিপুণ স্রষ্টা।মুজিবুর রহমান

অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর আমি এটাকে গঠন করেছি পরিমিতভাবে, আমি কত নিপুণ স্রষ্টা! ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি পরিমাপ করেছি। আর আমিই উত্তম পরিমাপকারী।আল-বায়ান

অতঃপর আমি তাকে গঠন করেছি সুসামঞ্জস্যপূর্ণরূপে, আমি কতই না উত্তম ক্ষমতার অধিকারী!তাইসিরুল

তারপর আমরা বিন্যস্ত করি, সুতরাং কত নিপুণ বিন্যাসকারী আমরা!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

এটা মৃত্যুর পরের জীবনের সম্ভাব্যতার স্পস্ট প্রমাণ। আল্লাহ‌ তা’আলার এ বাণীর অর্থ হলো, যখন আমি নগণ্য এক ফোটা বীর্য থেকে সূচনা করে তোমাকে পূর্ণাঙ্গ একজন মানুষ বানাতে সক্ষম হয়েছি তখন পুনরায় তোমাদের অন্য কোনভাবে সৃষ্টি করতে সক্ষম হবো না কেন? আমার যে সৃষ্টি কর্মের ফলশ্রুতিতে তুমি আজ জীবিত ও বর্তমান তা একথা প্রমাণ করে যে, আমি অসীম ক্ষমতার অধিকারী। আমি এমন অক্ষম নই যে, একবার সৃষ্টি করার পর তোমাদেরকে পুনরায় আর সৃষ্টি করতে পারবো না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ আমি মানুষকে কেবল সৃষ্টিই করিনি। তার গঠন-আকৃতি এমন পরিমিত ও সুসমঞ্জস করেছি, যা আমা ভিন্ন অন্য কারও পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়। মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে গভীরভাবে লক্ষ করলে এ সত্য বুঝতে কোন কষ্ট হয় না।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৩. অতঃপর আমরা পরিমাপ করেছি, সুতরাং আমরা কত নিপুণ পরিমাপকারী!(১)

(১) এটা মৃত্যুর পরের জীবনের সম্ভাব্যতার স্পষ্ট প্রমাণ। আল্লাহ তা'আলার এ বাণীর অর্থ হলো, যখন আমি নগণ্য এক ফোটা বীর্য থেকে সূচনা করে তোমাকে পূর্ণাঙ্গ একজন মানুষ বানাতে সক্ষম হয়েছি তখন পুনরায় তোমাদের অন্য কোনভাবে সৃষ্টি করতে সক্ষম হবো না কেন? আমার যে সৃষ্টি কর্মের ফলশ্রুতিতে তুমি আজ জীবিত ও বর্তমান তা একথা প্রমাণ করে যে, আমি অসীম ক্ষমতার অধিকারী। আমি এমন অক্ষম নই যে, একবার সৃষ্টি করার পর তোমাদেরকে পুনরায় আর সৃষ্টি করতে পারবো না। (আত-তাহরীর ওয়াত তানওয়ীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৩) আমি একে গঠন করেছি পরিমিতভাবে, (1) আমি কত সুনিপুণ স্রষ্টা!

(1) অর্থাৎ, মাতৃগর্ভে তার দৈহিক গঠন-বিন্যাসের ব্যাপারে সঠিক অনুমান করে নিয়েছি যে, উভয় চোখ, উভয় হাত, উভয় পা এবং উভয় কানের মধ্যে ও অন্যান্য আরো অঙ্গের মধ্যে পারস্পরিক কতটা ব্যবধান থাকা উচিত। (কোথায় কোন্ অঙ্গ রাখা উচিত।)