ওয়ান্না- শির- তি নাশর- ।উচ্চারণ
এবং (মেঘমালাকে) বহন করে নিয়ে ছড়িয়ে দেয়। তাফহীমুল কুরআন
এবং শপথ (মেঘমালাকে) ইতস্তত বিক্ষিপ্তকারী বায়ুর। মুফতী তাকী উসমানী
শপথ সঞ্চালনকারী বায়ুর;মুজিবুর রহমান
মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথমাওলানা মুহিউদ্দিন খান
শপথ সঞ্চালনকারী বায়ুর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কসম মেঘমালা ও বৃষ্টি বিক্ষিপ্তকারী বায়ুর,আল-বায়ান
শপথ সেই বায়ুর যা (মেঘমালাকে) ছড়িয়ে দেয় দূর দূরান্তে,তাইসিরুল
আর ভাবো যারা ছড়াচ্ছে ছড়ানোর মতো,মাওলানা জহুরুল হক
দুনিয়ায় যে বায়ু প্রবাহিত হয় তা দু’রকমের। (ক) এক বায়ু তো এমন যা মানুষের কল্যাণ সাধন করে এবং জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর যোগান দেয়। (খ) কোন কোন বায়ু এমন, যা ঝড়-ঝঞ্ঝা হয়ে মানুষের দুর্যোগ-দুর্বিপাকের কারণ হয়। এমনিভাবে ফেরেশতাগণ মানুষের কাছে যে বাণী নিয়ে আসে তাও একদিকে সৎ লোকদের সুসংবাদ দান করে, অন্য দিকে অসৎ লোকদের জন্য তা হয় ভীতি প্রদর্শনকারী। এজন্যই প্রথম তিন আয়াতে বায়ুর শপথ করা হয়েছে এবং পরের তিন আয়াতে ফেরেশতাদের।
৩. শপথ প্রচণ্ড সঞ্চালনকারীর,
(৩) শপথ মেঘমালা-সঞ্চালনকারী বায়ুর। (1)
(1) অথবা সেই ফিরিশতাদের শপথ! যারা মেঘমালা বিস্তৃত করে কিংবা যারা মহাশূন্যে নিজেদের ডানা প্রসারিত করে। তবে ইমাম ইবনে কাসীর (রঃ) এবং ইমাম ত্বাবারী (রঃ) (المرسَلات، العاصِفَات، الناشِرات) এই তিন শব্দ থেকে হাওয়া অর্থ নেওয়াকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। তরজমাতেও এই অর্থই করা হয়েছে।