ওয়া ইযাররুছুলুউককিতাত।উচ্চারণ
এবং রসূলের হাজির হওয়ার সময় এসে পড়বে। ৬ তাফহীমুল কুরআন
এবং যখন রাসূলগণকে নির্দিষ্ট সময়ে একত্র করা হবে মুফতী তাকী উসমানী
এবং রাসূলগণের নিরূপিত সময় উপস্থিত হবে।মুজিবুর রহমান
যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং রাসূলগণকে নিরূপিত সময়ে উপস্থিত করা হবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যখন রাসূলদেরকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত করা হবে;আল-বায়ান
যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে।তাইসিরুল
আর যখন রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে নিয়ে আসা হবে --মাওলানা জহুরুল হক
৬
কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে একথা উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাশরের ময়দানে যখন মানব জাতির মামলা আল্লাহর দরবারে পেশ করা হবে তখন প্রত্যেক জাতির রসূলকে সাক্ষ্যদানের জন্য হাজির করা হবে। উদ্দেশ্য, তাঁরা যে মানুষের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছিলেন তার সাক্ষ্য দেবেন। বিপথগামী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটা হবে আল্লাহ তাআলার সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এর দ্বারা প্রমাণ করা হবে যে, তার ভ্রান্ত আচরণের জন্য সে নিজেই দায়ী। অন্যথায় আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তাকে সাবধান করার ব্যাপারে কোন ত্রুটি করা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে হলে নিম্নবর্ণিত স্থানসমূহ দেখুন। তাফহীমুল কুরআন, আল আরাফ আয়াত ১৭২, ১৭৩, টীকা ১৩৪, ১৩৫; আয যুমার, আয়াত ৬৯, টীকা ৮০;আল মুলক, আয়াত ৮, টীকা ১৪।
আল্লাহ তাআলা আখেরাতের একটা সময় নির্দিষ্ট করেছেন, যখন সমস্ত রাসূল একত্র হয়ে নিজ-নিজ উম্মত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে।
১১. আর যখন রাসূলগনকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত করা হবে(১),
(১) এখানে আল্লাহ্ তা'আলার ওয়াদা বা ভীতিপ্ৰদ বিষয়সমূহ বাস্তবায়ন মুহুর্তের কতিপয় ভয়ানক অবস্থা বর্ণনা করে বলেন যে, প্রথমে সব নক্ষত্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে এবং ঝরে যাবে। দ্বিতীয় অবস্থা এই যে, আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে। তৃতীয় অবস্থা এই যে, পর্বতসমূহ চুৰ্ণ হয়ে বিক্ষিপ্ত ধূলি-কণা হওয়ার পর নাই হয়ে যাবে। চতুর্থ অবস্থা হলো, নবী-রাসূলগণের জন্যে তাদের ও তাদের উম্মতের মাঝে বিচারের জন্য উপস্থিত হওয়ার যে সময় নিরূপিত হয়েছিল, তারা যখন সে সময়ে পৌছে যাবেন। এবং তাদেরকে জড়ো করা হবে। (মুয়াস্সার, সা'দী)
(১১) এবং রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত করা হবে। (1)
(1) অর্থাৎ, বিচার-ফায়সালার জন্য। তাঁদের বয়ানসমূহ শুনে তাঁদের সম্প্রদায়ের ব্যাপারে ফায়সালা করা হবে।