লাউকছিমুবিইয়াওমিল কিয়া-মাহ ।
না, আমি শপথ করছি কিয়ামতের দিনের।
ওয়ালাউকছিমুবিন্নাফছিল লাওওয়া-মাহ।
আর না, আমি শপথ করছি আত্মসমালোচনাপরায়ণ আত্মার।
আ ইয়াহছাবুল ইনছা-নুআল্লান নাজমা‘আ ‘ইজা-মাহ।
মানুষ কি মনে করে যে আমরা কখনো তার হাড়গোড় একত্রিত করব না?
বালা-ক-দিরীনা ‘আলাআন নুছাওবিয়া বানা-নাহ।
হাঁ, আমরা তার আঙুলগুলো পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
বাল ইউরীদুল ইনছা-নুলিইয়াফজুর আমা-মাহ।
তবুও মানুষ চায় যা তার সামনে রয়েছে তা অস্বীকার করতে।
ইয়াছআলুআইইয়া-না ইয়াওমুল কিয়া-মাহ।
সে প্রশ্ন করে -- "কখন কিয়ামতের দিন আসবে?"
ফাইযা-বারিকাল বাসার।
কিন্ত যখন দৃষ্টি দিশাহারা হয়ে যাবে,
ওয়া খাছাফাল কামার।
আর চন্দ্র হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন,
ওয়া জুমি‘আশশামছুওয়াল কামার।
আর সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে,
ইয়াকূ লুল ইনছা-নুইয়াওমাইযিন আইনাল মাফার।
মানুষ সেইদিন বলবে -- "কোথায় পালানোর স্থান?"
কাল্লা-লা- ওয়াঝার।
কিছুতেই না, কোনো আশ্রয়স্থল নেই।
ইলা-রব্বিকা ইয়াওমাইযিনিল মুছতাকার।
সেদিন ঠাই হবে কেবল তোমার প্রভুর নিকটেই।
ইউনাব্বাউল ইনছা-নুইয়াওমাইযিম বিমা-কাদ্দামা ওয়া আখখার।
মানুষকে সেইদিন জানানো হবে কী সে আগবাড়িয়েছে এবং সে ফেলে রেখেছে।
বালিল ইনছা-নু‘আলা- নাফছিহী বাসীরহ।
বস্তুত মানুষ তার নিজের সত্ত্বা সন্বন্ধে চক্ষুষ্মান,
ওয়া লাও আলক- মা‘আ-যীরহ।
যদিও সে তার অজুহাত দেখায়।
লা-তুহাররিক বিহী লিছা-নাকা লিতা‘জালা বিহ।
এর দ্বারা তোমার জিহবা নাড়াচাড়া করো না একে ত্বরান্বিত করতে।
ইন্না ‘আলাইনা-জাম‘আহূওয়া কুরআ-নাহ ।
নিঃসন্দেহ আমাদের উপরেই রয়েছে এর সংগ্রহের ও এর পাঠ করানোর দায়িত্ব।
ফাইযা- কার’না-হু ফাত্তাবি‘ কুরআ-নাহ।
সুতরাং যখন আমরা তা পাঠ করি তখন তুমি তার পঠন অনুসরণ করো,
ছু ম্মা ইন্না ‘আলাইনা-বায়া-নাহ।
তারপর নিশ্চয় আমাদেরই উপরে রয়েছে এর ব্যাখ্যাকরণ।
কাল্লা-বাল তুহিববূনাল ‘আ-জিলাহ।
না, তোমরা কিন্তু ভালবাস ক্ষণস্থায়ী,
ওয়া তাযারূনাল আ-খিরহ।
আর অবহেলা কর পরকালকে।
উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন না- দিরহ।
সেদিন কতকগুলো মুখ হবে উজ্জ্বল, --
ইলা-রব্বিহা-না-জিরহ।
তাদের প্রভুর দিকে চেয়ে থাকবে,
ওয়া উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিম বা-ছিরহ।
আর কতকগুলো মুখ সেইদিন বিবর্ণ হয়ে যাবে, --
তাজুন্নুআইঁ ইউফ‘আলা বিহা-ফা-কিরহ।
এই ভেবে যে কোনো বিধ্বংসী বিপর্যয় তাদের উপরে পড়তে যাচ্ছে।
কাল্লাইযা-বালাগাতিত্তার-কী।
না, যখন এটি গলায় এসে পৌঁছুবে,
ওয়া কীলা মান র-ক।
এবং বলা হবে -- "কে সেই জাদুকর?"
ওয়া জান্না আন্নাহুল ফির-ক।
আর সে বুঝতে পারে যে, এ হচ্ছে বিদায় বেলা,
ওয়াল তাফফাতিছছা-কুবিছছা-ক।
এবং এক পায়ের হাড় অন্য পায়ের হাড়ে ঠোকর খেতে থাকবে,
ইলা-রব্বিকা ইয়াওমাইযিনিল মাছা-ক।
তোমার প্রভুর দিকেই সেইদিন হবে চালিয়ে নেওয়া।
ফালা- সাদ্দাকা ওয়ালা- সাল্লা- ।
সে তো সত্যনিষ্ঠ ছিল না, আর নামাযও পড়ে নি,
ওয়া লা- কিন কাযযাবা ওয়া তাওয়াল্লা- ।
বরং সে সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে এসেছিল,
ছু ম্মা যাহাবা ইলাআহলিহী ইয়াতামাত্তা- ।
তারপর সে তার স্বজনগণের কাছে গিয়েছিল গর্ব করতে করতে।
আওলা-লাকা ফাআওলা- ।
"তুমি নিপাত যাও! তবে নিপাত যাও!
ছু ম্মা আওলা- লাকা ফাআওলা- ।
আবার তুমি নিপাত যাও, ফলে নিপাত যাও!
আ ইয়াহছাবুল ইনছা-নুআইঁ ইউতরকা ছুদা- ।
মানুষ কি ভাবে যে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে বাঁধনছাড়াভাবে?
আলাম ইয়াকুনুতফাতাম মিম মানিইয়িইঁ ইউমনা- ।
সে কি ছিল না এক শুক্রকীট এক সবেগে নির্গত স্খলনের মধ্যেকার?
ছু ম্মা ক-না ‘আলাকাতান ফাখালাকা ফাছাওয়া-।
তারপর সে হলো একটি রক্তপিন্ড, তারপর তিনি আকৃতি দান করলেন ও পূর্ণাঙ্গ করলেন।
ফাজা‘আলা মিনহুঝঝাওজাইনিযযাকার ওয়াল উনছা- ।
তারপর তিনি তা হতে সৃষ্টি করলেন তার যুগল -- পুরুষ ও নারী।
আলাইছা যা- লিকা বিক-দিরিন ‘আলাআইঁ ইউ হইয়াল মাওতা- ।
তবুও কি তিনি ক্ষমতাবান নন মৃতকে পুনর্জীবিত করতে?