كَلَّآ إِذَا بَلَغَتِ ٱلتَّرَاقِيَ

কাল্লাইযা-বালাগাতিত্তার-কী।উচ্চারণ

কখ্খনো না, ১৮ যখন প্রাণ কণ্ঠনালীতে উপনীত হবে তাফহীমুল কুরআন

সাবধান প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হবেমুফতী তাকী উসমানী

যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে।মুজিবুর রহমান

কখনও না, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কখনো নয়, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনই না, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে।আল-বায়ান

(তোমরা যে ভাবছ ক্বিয়ামত হবে না সেটা) কক্ষনো নয়, প্রাণ যখন কণ্ঠে এসে পৌঁছবে,তাইসিরুল

না, যখন এটি গলায় এসে পৌঁছুবে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৮

এ কখ্খো না” কথাটি সেই ধারাবাহিক কথাটির সাথে সম্পৃক্ত। যা আগে থেকে চলে আসছে। অর্থাৎ তোমাদের এ ধারণা ভুল যে, তোমরা মরে বিলীন ও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এবং নিজ প্রভুর সামনে তোমাদের ফিরে যেতে হবে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৬. অবশ্যই(১), যখন প্ৰাণ কণ্ঠাগত হবে,

(১) এখানে كَلَّا শব্দ দ্বারা ‘অবশ্যই’ অর্থ উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে। (মুয়াস্‌সার)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৬) কখনই (তোমাদের ধারণা ঠিক) না, (1) যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে। (2)

(1) অর্থাৎ, এটা সম্ভব নয় যে, কাফেররা কিয়ামতের প্রতি ঈমান আনবে।

(2) تَرَاقِي হল تَرْقُوَةٌ এর বহুবচন। অক্ষকাস্থি; কণ্ঠমূল ও বাহুসন্ধির মধ্যবর্তী অস্থিদ্বয়ের কোণখানিকে تَرْقُوَةٌ বলে। ভাবার্থ হল, যখন মৃত্যুর লৌহপাঞ্জা তোমাদেরকে ধরবে এবং প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হবে।