وَقِيلَ مَنۡۜ رَاقٖ

ওয়া কীলা মান র-ক।উচ্চারণ

এবং বলা হবে, ঝাঁড় ফুঁক করার কেউ আছে কি? ১৯ তাফহীমুল কুরআন

এবং (শুশ্রষাকারীদেরকে) বলা হবে, আছে কোন ঝাঁড়-ফুঁককারী? #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী

এবং বলা হবেঃ কে তাকে রক্ষা করবে?মুজিবুর রহমান

এবং বলা হবে, কে ঝাড়বেমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং বলা হবে, ‘কে তাকে রক্ষা করবে ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বলা হবে, ‘কে তাকে বাঁচাবে’?আল-বায়ান

তখন বলা হবে, (তাকে বাঁচানোর জন্য) ঝাড়ফুঁক দেয়ার কেউ আছে কি?তাইসিরুল

এবং বলা হবে -- "কে সেই জাদুকর?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

মূল আয়াতে راق শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এটি رقية ধাতু থেকেও উৎপন্ন হতে পারে। এর অর্থ তাবীজ-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক। আবার رقي ধাতু থেকেও উৎপন্ন হতে পারে। এর অর্থ ওপর দিকে ওঠা। যদি প্রথম অর্থটি গ্রহণ করা হয় তাহলে যা বুঝাবে তাহলো, শেষ মুহূর্তে যে সময় রোগীর সেবা শুশ্রূসাকারীরা সব রকমের ওষুধ পত্র সম্পর্কে নিরাশ হয়ে যাবে তখন বলবেঃ আরে, কোন ঝাড় ফূঁককারীকেই অন্তত খুঁজে আনো যে এর জীবনটা রক্ষা করবে। আর যদি দ্বিতীয় অর্থ গ্রহণ করা হয় তাহলে যা বুঝাবে তা হলো, সে সময় ফেরেশতারা বলবেঃ কে এ রূহটা নিয়ে যাবে? আযাবের ফেরেশতারা না রহমতের ফেরেশতারা? অন্য কথায় সে সময় সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে, ঐ ব্যক্তি আখেরাতের দিকে কি মর্যাদা নিয়ে যাত্রা করেছে। সৎ মানুষ হলে রহমতের ফেরেশতারা নিয়ে যাবে। অসৎ মানুষ হলে রহমতের ফেরেশতারা তার ছায়াও মাড়বে না। আযাবের ফেরেশতারাই তাকে পাকড়াও করে নিয়ে যাবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে শয্যাশায়ী হয়ে যায়, তখন তার প্রিয়জনেরা সর্বান্তকরণে তার শুশ্রূষা করে ও তার চিকিৎসার চেষ্টা চালায়। সেই চিকিৎসার একটা পদ্ধতি এও যে, যারা ঝাড়-ফুঁক জানে, তাদের দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করানো হয়।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৭. এবং বলা হবে, কে তাকে রক্ষা করবে?

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৭) এবং বলা হবে, কেউ ঝাড়ফুঁককারী আছে কি? (1)

(1) অর্থাৎ, উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্য হতে কেউ এমন আছে কি, যে ঝাড়-ফুঁকের মাধ্যমে তোমাদেরকে মৃত্যুর হাত থেকে নিষ্কৃতি দেবে। কেউ কেউ এর তরজমা এইভাবেও করেছেন যে, ‘এবং বলা হবে, (তার আত্মাকে নিয়ে আসমানে) আরোহণকারী কে?’ রহমতের ফিরিশতা, না আযাবের ফিরিশতা? এই অর্থে এটা হবে ফিরিশতাদের কথা।