ওয়াল তাফফাতিছছা-কুবিছছা-ক।উচ্চারণ
উভয় পায়ের গোছা বা নলা একত্র হয়ে যাবে। ২০ তাফহীমুল কুরআন
এবং পায়ের গোছার সাথে গোছা জড়িয়ে যাবে #%১১%#মুফতী তাকী উসমানী
এবং পায়ের সংগে পা জড়িয়ে যাবে।মুজিবুর রহমান
এবং গোছা গোছার সাথে জড়িত হয়ে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং পায়ের সঙ্গে পা জড়িয়ে যাবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর পায়ের গোছার সংগে পায়ের গোছা জড়িয়ে যাবে।আল-বায়ান
আর জড়িয়ে যাবে এক পায়ের নলা আরেক পায়ের নলার সাথে।তাইসিরুল
এবং এক পায়ের হাড় অন্য পায়ের হাড়ে ঠোকর খেতে থাকবে,মাওলানা জহুরুল হক
২০
তাফসীরকাদের অনেকেই ساق(পায়ের নলা) শব্দটির সাধারণ আভিধানিক অর্থ গ্রহণ করেছেন। এ হিসেবে কথাটির অর্থ হয় মরার সময় যখন পা শুকিয়ে একটি আরেকটির সঙ্গে লেগে যাবে। আবার কেউ কেউ প্রচলিত আরবী বাকরীতি অনুসারে শব্দটিকে কঠোরতার রূঢ়তা ও বিপদাপদ অর্থে গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ সে সময় দু’টি বিপদ একসাথে এসে হাজির হবে। একটি এ পৃথিবী এবং এর সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার বিপদ। আরেকটি, একজন অপরাধী হিসেবে গ্রেফতার হয়ে পরকালীন জগতে যাওয়ার বিপদ যার মুখোমুখী হতে হবে প্রত্যেক কাফের মুনাফিক এবং পাপীকে।
জান কবজের সময় যে কষ্ট হয়, তাতে মুমূর্ষু ব্যক্তি অনেক সময় দু’পায়ের গোছা পরস্পর জড়িয়ে ফেলে। আয়াতের ইশারা সেই অবস্থারই দিকে।
২৯. আর পায়ের গোছার সঙ্গে পায়ের গোছা জড়িয়ে যাবে।(১)
(১) ساق এর প্রসিদ্ধ অর্থ পায়ের গোছা। গোছার সাথে জড়িয়ে পড়ার এক অর্থ এই যে, তখন অস্থিরতার কারণে এক গোছা দ্বারা অন্য গোছার উপর আঘাত করবে। দ্বিতীয় অর্থ এই যে, দুর্বলতার আতিশয্যে এক পা অপর পায়ের উপর থাকলে তা সরাতে চাইলেও সক্ষম হবে না। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, তখন হবে দুনিয়ার শেষ দিন এবং আখেরাতের প্রথম দিনের সম্মিলন। তাই মানুষ দুনিয়ার শেষ দিন এবং আখেরাতের বিরহ-বেদনা এবং আখেরাতে কি হবে না হবে তার চিন্তায় পেরেশান থাকবে। অর্থাৎ সে সময় দুটি বিপদ একসাথে এসে হাজির হবে। একটি এ পৃথিবী এবং এর সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার বিপদ।। আরেকটি, একজন অপরাধী হিসেবে গ্রেফতার হয়ে আখেরাতের জীবনে যাওয়ার বিপদ যার মুখোমুখি হতে হবে প্রত্যেক কাফের মুনাফিক এবং পাপীকে। (দেখুন: ইবন কাসীর)
(২৯) তখন পায়ের (নলার) সাথে পা (নলা) জড়িয়ে যাবে। (1)
(1) এ থেকে মৃত্যুর সময় পদনালীর সাথে পদনালীর (ঠ্যাং-এর সাথে ঠ্যাং) জড়িয়ে যাওয়াকে বুঝানো হয়েছে। অথবা এর অর্থ, কষ্টের উপর কষ্ট আসতে থাকা। অধিকাংশ মুফাসসিরগণ দ্বিতীয় অর্থই গ্রহণ করেছেন। (ফাতহুল ক্বাদীর)