বালিল ইনছা-নু‘আলা- নাফছিহী বাসীরহ।উচ্চারণ
বরং মানুষ নিজে নিজেকে খুব ভাল করে জানে। তাফহীমুল কুরআন
বরং মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।মুফতী তাকী উসমানী
বস্তুতঃ মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত।মুজিবুর রহমান
বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে চক্ষুমান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বস্তুত মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বরং মানুষ তার নিজের উপর দৃষ্টিমান।আল-বায়ান
আসলে মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে চাক্ষুসভাবে অবগত।তাইসিরুল
বস্তুত মানুষ তার নিজের সত্ত্বা সন্বন্ধে চক্ষুষ্মান,মাওলানা জহুরুল হক
১৪. বরং মানুষ নিজের সম্পর্কে সম্যক অবগত (১),
(১) আয়াতে بَصِيرَةٌ শব্দটির অর্থ যদি ‘চক্ষুম্মান’ ধরা হয়, তখন আয়াতের অর্থ এই যে, যদিও ন্যায়বিচারের বিধি অনুযায়ী মানুষকে তার প্রত্যেকটি কর্ম সম্পর্কে হাশরের মাঠে অবহিত করা হবে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এর প্রয়োজন নেই। কেননা, মানুষ তার কর্ম সম্পর্কে খুব জ্ঞাত। সে কি করেছে, তা সে নিজেই জানে। তাই আখেরাতের আদালতে হাজির করার সময় প্রত্যেক কাফের, মুনাফিক, পাপী ও অপরাধী নিজেই বুঝতে পারবে যে, সে কি কাজ করে এসেছে এবং কোন অবস্থায় নিজ প্রভুর সামনে দাঁড়িয়ে আছে; সে যতই অস্বীকার করুক বা ওযর পেশ করুক। (ইবন কাসীর) এছাড়া হাশরের মাঠে প্ৰত্যেকে তার সৎ কর্ম স্বচক্ষে দেখতেও পাবে। অন্য আয়াতে আছে, (وَوَجَدُوا مَا عَمِلُوا حَاضِرًا) অর্থাৎ “দুনিয়াতে মানুষ যা করেছে, হাশরের মাঠে তাকে উপস্থিত পাবে” (সূরা আল-কাহাফ: ৪৯) সুতরাং তারা তা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে। এখানে মানুষকে নিজের সম্পর্কে চক্ষুন্মান বলার অর্থ তাই।
পক্ষান্তরে যদি بَصِيرَةٌ শব্দের অর্থ ‘প্রমাণ’ হয় তখন আয়াতের অর্থ হবে এই যে, মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে প্রমাণস্বরূপ হবে। সে অস্বীকার করলেও তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বীকার করবে। (দেখুন, কুরতুবী)
(১৪) বস্তুতঃ মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত। (1)
(1) অর্থাৎ, তার হাত, পা, জিহ্বা ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সাক্ষ্য দেবে। অথবা এর অর্থ হল, মানুষ নিজের দোষগুলো খোদ জানে।