فَإِذَا بَرِقَ ٱلۡبَصَرُ

ফাইযা-বারিকাল বাসার।উচ্চারণ

অতঃপর চক্ষু যখন স্থির হয়ে যাবে। তাফহীমুল কুরআন

যখন চোখ ঝলসে যাবেমুফতী তাকী উসমানী

যখন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে।মুজিবুর রহমান

যখন দৃষ্টি চমকে যাবে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যখন চোখ স্থির হয়ে যাবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন চক্ষু হতচকিত হবে।আল-বায়ান

যখন চোখ ধাঁধিয়ে যাবে,তাইসিরুল

কিন্ত যখন দৃষ্টি দিশাহারা হয়ে যাবে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

মূল আয়াতে برق البصر শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এর আভিধানিক অর্থ হলো বিদ্যুতের ঝলকে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়া। কিন্তু প্রচলিত আরবী বাক রীতিতে একথাটি শুধু এ একটি অর্থ জ্ঞাপনই নয়। বরং ভীতি-বিহবলতা, বিস্ময় অথবা কোন দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় যদি কেউ হতবুদ্ধি হয়ে যায় এবং সে ভীতিকর দৃশ্যের প্রতি তার চক্ষু স্থির-নিবদ্ধ হয়ে যায় যা সে দেখতে পাচ্ছে তাহলে এ অবস্থা বুঝাতেও একথাটি বলা হয়ে থাকে। একথাটিই কুরআন মজিদের আরেক জায়গায় এভাবে বলা হয়েছেঃ

إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الْأَبْصَارُ

"আল্লাহ্‌ তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন সেদিন পর্যন্ত যখন চক্ষুসমূহ স্থির হয়ে যাবে। “(সূরা ইবরাহীম, ৪২)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭. যখন চোখ স্থির হয়ে যাবে(১),

(১) برق এর আভিধানিক অর্থ হলো বিদ্যুতের ঝলকে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়া। কিন্তু প্রচলিত আরবী বাকরীতিতে কথাটি শুধু এ একটি অর্থ জ্ঞাপকই নয় বরং ভীতি-বিহবলতা, বিস্ময় অথবা কোন দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় যদি কেউ হতবুদ্ধি হয়ে যায় এবং সে ভীতিকর দৃশ্যের প্রতি তার চক্ষু স্থির-নিবদ্ধ হয়ে যায় যা সে দেখতে পাচ্ছে তাহলে এ অবস্থা বুঝাতেও একথাটি বলা হয়ে থাকে। (দেখুন: ইবন কাসীর) একথাটিই কুরআন মাজীদের আরেক জায়গায় এভাবে বলা হগয়েছে, “আল্লাহ্‌ তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন সেদিন পর্যন্ত যেদিন চক্ষুসমূহ স্থির হয়ে যাবে।”

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭) সুতরাং যখন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে (1)

(1) ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে। بَرِقَ، تَحَيَّرَ وَانْدَهَشَ যা মৃত্যুর সময় সাধারণতঃ হয়ে থাকে।