إِذَا ٱلشَّمۡسُ كُوِّرَتۡ

ইযাশশামছুকুওবিরত।

যখন সূর্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে,

وَإِذَا ٱلنُّجُومُ ٱنكَدَرَتۡ

ওয়া ইযাননুজূমুন কাদারত।

আর যখন তারকারা নিস্তেজ হয়ে পড়বে,

وَإِذَا ٱلۡجِبَالُ سُيِّرَتۡ

ওয়া ইযাল জিবা-লুছুইয়িরত।

আর যখন পাহাড়গুলোকে অপসারণ করা হবে,

وَإِذَا ٱلۡعِشَارُ عُطِّلَتۡ

ওয়া ইযাল ‘ইশা-রু ‘উত্তিলাত।

আর যখন পূর্ণ-গর্ভা উষ্টীদের পরিত্যাগ করা হবে;

وَإِذَا ٱلۡوُحُوشُ حُشِرَتۡ

ওয়া ইযাল উহূশু হুশিরত।

আর যখন বন্য পশুদের সমবেত করা হবে,

وَإِذَا ٱلۡبِحَارُ سُجِّرَتۡ

ওয়া ইযাল বিহা-রু ছুজ্জিরত।

আর যখন সাগর-নদী ফেঁপে উঠবে,

وَإِذَا ٱلنُّفُوسُ زُوِّجَتۡ

ওয়া ইযাননুফূছুঝুওবিজাত।

আর যখন মনপ্রাণকে একতাবদ্ধ করা হবে,

وَإِذَا ٱلۡمَوۡءُۥدَةُ سُئِلَتۡ

ওয়া ইযাল মাওঊদাতুছুইলাত।

আর যখন জীবন্ত-প্রোথিত কন্যাসন্তানকে প্রশ্ন করা হবে --

بِأَيِّ ذَنۢبٖ قُتِلَتۡ

বিআইয়ি যামবিন কুতিলাত।

"কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল"?

وَإِذَا ٱلصُّحُفُ نُشِرَتۡ

ওয়া ইযাসসুহুফুনুশিরত।

আর যখন পৃষ্ঠাগুলো খুলে ধরা হবে,

وَإِذَا ٱلسَّمَآءُ كُشِطَتۡ

ওয়া ইয়াছ ছামাউ কুশিতাত।

আর যখন আকাশের ঢাকনি খুলে ফেলা হবে,

وَإِذَا ٱلۡجَحِيمُ سُعِّرَتۡ

ওয়া ইযাল জাহীমুছু‘‘য়িরত।

আর যখন ভয়ংকর আগুন জ্বালিয়ে তোলা হবে,

وَإِذَا ٱلۡجَنَّةُ أُزۡلِفَتۡ

ওয়া ইযাল জান্নাতুউঝলিফাত।

আর যখন বেহেশতকে নিকটে আনা হবে, --

عَلِمَتۡ نَفۡسٞ مَّآ أَحۡضَرَتۡ

‘আলিমাত নাফছুম মাআহদারত।

সত্ত্বা জানতে পারবে কী সে হাজির করেছে।

فَلَآ أُقۡسِمُ بِٱلۡخُنَّسِ

ফালা উকছিমুবিলখুন্নাছ।

কাজেই না, আমি সাক্ষী মানছি গ্রহ-নক্ষত্রদের --

ٱلۡجَوَارِ ٱلۡكُنَّسِ

আল জাওয়া-রিল কুন্নাছ।

যারা চলে থাকে, অদৃশ্য হয়ে যায়,

وَٱلَّيۡلِ إِذَا عَسۡعَسَ

ওয়াল্লাইলি ইযা-‘আছ‘আছ।

আর রাত্রিকে যখন তা বিগত হয়ে যায়,

وَٱلصُّبۡحِ إِذَا تَنَفَّسَ

ওয়াসসুবহিইযা-তানাফফাছ।

আর প্রভাতকে যখন তা উজ্জ্বল হতে থাকে,

إِنَّهُۥ لَقَوۡلُ رَسُولٖ كَرِيمٖ

ইন্নাহূলাকাওলুরছূলিন কারীম।

নিঃসন্দেহ এ তো হচ্ছে এক সম্মানিত রসূলের বাণী --

ذِي قُوَّةٍ عِندَ ذِي ٱلۡعَرۡشِ مَكِينٖ

যী কুওওয়াতিন ‘ইনদা যিল ‘আরশি মাকীন।

শক্তির অধিকারী, আরশের অধীশ্বরের সামনে অধিষ্ঠিত,

مُّطَاعٖ ثَمَّ أَمِينٖ

মুতা-‘ইন ছাম্মা আমীন।

যাঁকে মেনে চলতে হয়, আর যিনি বিশ্বাসভাজন।

وَمَا صَاحِبُكُم بِمَجۡنُونٖ

ওয়া মা-সা-হিবুকুম বিমাজনূন।

আর তোমাদের সাথী তো পাগল নন।

وَلَقَدۡ رَءَاهُ بِٱلۡأُفُقِ ٱلۡمُبِينِ

ওয়া লাকাদ রআ-হু বিলউফুকিল মুবীন।

আর তিনি তো নিজেকে দেখেছিলেন স্পষ্ট দিগন্তে;

وَمَا هُوَ عَلَى ٱلۡغَيۡبِ بِضَنِينٖ

ওয়ামা-হুওয়া ‘আলাল গাইবি বিদানীন।

আর তিনি অদৃশ্য-সন্বন্ধে কৃপণ নন,

وَمَا هُوَ بِقَوۡلِ شَيۡطَٰنٖ رَّجِيمٖ

ওয়ামা-হুওয়া বিকাওলি শাইতা-নির রজীম।

আর এটি কোনো বিতাড়িত শয়তানের বক্তব্য নয়।

فَأَيۡنَ تَذۡهَبُونَ

ফাআইনা তাযহাবূন।

তোমরা তাহলে কোন দিকে চলেছ?

إِنۡ هُوَ إِلَّا ذِكۡرٞ لِّلۡعَٰلَمِينَ

ইন হুওয়া ইল্লা-যিকরুল লিল‘আ-লামীন।

এটি আলবৎ বিশ্ববাসীর জন্য স্মরণীয় বার্তা বৈ তো নয়, --

لِمَن شَآءَ مِنكُمۡ أَن يَسۡتَقِيمَ

লিমান শাআ মিনকুম আইঁ ইয়াছতাকীম।

তোমাদের মধ্যেকার তার জন্য যে সহজ-সঠিক পথে চলতে চায়।

وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ওয়ামা-তাশাঊনা ইল্লাআইঁ ইয়াশাআল্লা-হু রব্বুল ‘আ-লামীন।

আর বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহ্ যা চান তা ব্যতীত তোমরা অন্য কোনো-কিছু চাইবে না।