‘আলিমাত নাফছুম মাআহদারত।উচ্চারণ
সে সময় প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে কি নিয়ে এসেছে। তাফহীমুল কুরআন
তখন প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে (ভালো-মন্দ) যা কিছু হাজির করেছে।মুফতী তাকী উসমানী
তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানবে সে কি নিয়ে এসেছে।মুজিবুর রহমান
তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানিবে সে কী নিয়ে এসেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে সে কী উপস্থিত করেছে!আল-বায়ান
তখন প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে কী (সঙ্গে) নিয়ে এসেছে।তাইসিরুল
সত্ত্বা জানতে পারবে কী সে হাজির করেছে।মাওলানা জহুরুল হক
১৪. তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানবে সে কি উপস্থিত করেছে।(১)
(১) অর্থাৎ কেয়ামতের উপরোক্ত পরিস্থিতিতে প্ৰত্যেকই জেনে নিবে সে কি নিয়ে এসেছে। অর্থাৎ সৎকর্ম কিংবা অসৎকর্ম সব তার দৃষ্টির সামনে এসে যাবে। (মুয়াস্সার)
১৪। তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানবে, সে কি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে।(1)
(1) এটা হল জওয়াবী বাক্য। অর্থাৎ, যখন উল্লিখিত বিষয়সমূহ প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে ছয়টি বিষয় দুনিয়ার সাথে সম্পৃক্ত এবং অন্য ছয়টি আখেরাতের সাথে সম্পৃক্ত। তখন প্রত্যেকের সামনে তার প্রকৃতত্ব এসে যাবে।