وَٱلصُّبۡحِ إِذَا تَنَفَّسَ

ওয়াসসুবহিইযা-তানাফফাছ।উচ্চারণ

এবং প্রভাতের, যখন তা শ্বাস ফেলেছে। ১৩ তাফহীমুল কুরআন

এবং ভোরের, যখন তা শ্বাস গ্রহণ করে। মুফতী তাকী উসমানী

আর উষার যখন ওর আবির্ভাব হয়,মুজিবুর রহমান

প্রভাত আগমন কালের,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর ঊষার, যখন এর আবির্ভাব হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর কসম প্রভাতের, যখন তা আগমন করে।আল-বায়ান

আর ঊষার যখন তা নিঃশ্বাস ফেলে অন্ধকারকে বের করে দেয়,তাইসিরুল

আর প্রভাতকে যখন তা উজ্জ্বল হতে থাকে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

যে বিষয়ের ওপর এই কসম খাওয়া হয়েছে তা সামনের আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের কসমের অর্থ হচ্ছে, মুহাম্মাদ ﷺ অন্ধকারে কোন স্বপ্ন দেখেননি। বরং যখন তারকারা অস্তমিত হয়েছিল, রাত বিদায় নিয়েছিল এবং প্রভাতের উদয় হয়েছিল তখন উন্মুক্ত আকাশে তিনি আল্লাহর ফেরেশতাকে দেখেছিলেন। কাজেই তিনি যা কিছু বর্ণনা করছেন তা সবই তাঁর নিজের চোখে দেখা। সুস্পষ্ট দিনের আলোয় পূর্ণচেতনা সহকারে তিনি এসব দেখেছেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

ভোরবেলা সাধারণত মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হয়। সেই বাতাসের বয়ে চলাকে অলংকারপূর্ণ ভাষায় ‘ভোরের শ্বাস গ্রহণ’ শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে। (এর আরেক অর্থ যখন ভোর উদ্ভাসিত হয়, তার আলো ছড়িয়ে পড়ে। -অনুবাদক)

তাফসীরে জাকারিয়া

১৮. শপথ প্ৰভাতের যখন তার আবির্ভাব হয়,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১৮। আর ঊষার, যখন তার আবির্ভাব হয়। (1)

(1) অর্থাৎ, যখন সে প্রকাশ পায় ও উদয় হয় অথবা উজ্জ্বল হয়ে বের হয়ে আসে।