وَلَقَدۡ رَءَاهُ بِٱلۡأُفُقِ ٱلۡمُبِينِ

ওয়া লাকাদ রআ-হু বিলউফুকিল মুবীন।উচ্চারণ

সেই বাণীবাহককে দেখেছে উজ্জ্বল দিগন্তে। ১৯ তাফহীমুল কুরআন

নিশ্চয়ই সে তাকে (অর্থাৎ জিবরাঈলকে) স্পষ্ট দিগন্তে দেখতে পেয়েছে। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী

সেতো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে অবলোকন করেছে।মুজিবুর রহমান

তিনি সেই ফেরেশতাকে প্রকাশ্য দিগন্তে দেখেছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সে তো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সে* তাকে** সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে।আল-বায়ান

সে সেই বাণী বাহককে সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে,তাইসিরুল

আর তিনি তো নিজেকে দেখেছিলেন স্পষ্ট দিগন্তে;মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

সূরা আন নাজমের ৭ থেকে ৯ পর্যন্ত টীকায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ পর্যবেক্ষণকে আরো বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। (ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, আন নাজম ৭-৮ টীকা)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সাধারণত কোন মানুষের আকৃতিতে আসতেন। কিন্তু একবার মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি আকাশের এক প্রান্তে নিজের আসল আকৃতিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সেভাবে দেখতে পান। আয়াতের ইশারা সেই ঘটনার দিকেই। বিষয়টা কিছুটা বিস্তারিত সূরা নাজমেও গত হয়েছে। সেখানে ২, ৩ ও ৪ নং টীকা দ্রষ্টব্য।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৩. তিনি তো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন(১),

(১) অর্থাৎ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিবরীল আলাইহিস সালামকে প্রকাশ্য দিগন্তে, মূল আকৃতিতে দেখেছেন। অন্যত্র বলা হয়েছে, (فَاسْتَوَىٰ ٭ وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَىٰ) “সে নিজ আকৃতিতে স্থির হয়েছিল, তখন সে ঊর্ধ্বদিগন্তে” (সূরা আন-নাজম: ৬–৭) (ইবন কাসীর) এই দেখার কথা বলার উদ্দেশ্য এই যে, তিনি ওহী নিয়ে আগমনকারী জিবরীল আলাইহিস সালাম এর সাথে পরিচিত ছিলেন। তাকে আসল আকার আকৃতিতেও দেখেছিলেন। তাই এই ওহীতে কোনরূপ সন্দেহ সংশয়ের অবকাশ নেই।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২৩। অবশ্যই সে তাকে স্পষ্ট দিগন্তে দর্শন করেছে। (1)

(1) এ কথা পূর্বে উল্লেখ হয়েছে যে, রসূল (সাঃ) জিবরীল (আঃ)-কে দুই বার তাঁর আসল আকৃতিতে দর্শন করেছেন। তার মধ্যে এক বারের উল্লেখ তো এখানেই এসেছে। এটা নবুঅতের প্রথম অবস্থার ঘটনা। সেই সময় জিবরীল (আঃ)-এর ছয় শত ডানা ছিল। যা আকাশের প্রান্তকে ঘিরে ফেলেছিল। দ্বিতীয়বার দেখেছেন মি’রাজের রাত্রে। যেমন সূরা নাজমে (৬-১৮নং আয়াতে) এ ব্যাপারে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।