যী কুওওয়াতিন ‘ইনদা যিল ‘আরশি মাকীন।উচ্চারণ
যিনি বড়ই শক্তিধর, ১৫ আরশের মালিকের কাছে উন্নত মর্যাদার অধিকারী, তাফহীমুল কুরআন
যে শক্তিশালী, আরশের অধিপতির কাছে মর্যাদাসম্পন্ন।মুফতী তাকী উসমানী
যে সামর্থশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন,মুজিবুর রহমান
যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে সামর্থ্যশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন।আল-বায়ান
যে শক্তিশালী, ‘আরশের মালিক (আল্লাহ)’র নিকট মর্যাদাশীল।তাইসিরুল
শক্তির অধিকারী, আরশের অধীশ্বরের সামনে অধিষ্ঠিত,মাওলানা জহুরুল হক
১৫
সূরা আন নাজমের ৪-৫ আয়াতে এই বিষয়বস্তুটি এভাবে বর্ণনা করা হয়েছেঃ
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى - عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى
“এ তো একটি ওহী, যা তার ওপর নাযিল করা হয়। প্রবল শক্তির অধিকারী তাকে তা শিখিয়েছেন।” জিব্রীল আলাইহিস সালামের সেই প্রবল ও মহাপরাক্রমশালী শক্তি কি? এটি আসলে “মুতাশাবিহাত”-এর অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ ছাড়া এ সম্পর্কিত সঠিক তথ্য কারোর জানা নেই। তবে এ থেকে এতটুকু কথা অবশ্যি জানা যায় যে, নিজের অসাধারণ ক্ষমতার দিক দিয়ে তিনি ফেরেশতাদের মধ্যেও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। মুসলিম শরীফে কিতাবুল ঈমানে হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই উক্তি উদ্ধৃত করেছেনঃ আমি দু’বার জিব্রীলকে তার আসল আকৃতিতে দেখেছি। তাঁর বিশাল সত্তা আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী সমগ্র মহাশূন্য জুড়ে বিস্তৃত ছিল। বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও মুসনাদে আহমদে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছ’টি ডানা সমন্বিত অবস্থায় দেখেছেন। এ থেকে তাঁর অসাধারণ শক্তির বিষয়টি কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে।
২০. যে সামৰ্থ্যশালী, আরশের মালিকের কাছে মর্যাদা সম্পন্ন,
২০। যে মহাশক্তিধর,(1) আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাপ্রাপ্ত।
(1) অর্থাৎ, যে কাজের ভার তাঁর উপর অর্পণ করা হয় তা তিনি পূর্ণ শক্তিমত্তার সাথে সম্পাদন করেন।