মুতা-‘ইন ছাম্মা আমীন।উচ্চারণ
সেখানে তার হুকুম মেনে চলা হয়, ১৬ তিনি আস্থাভাজন। ১৭ তাফহীমুল কুরআন
যাকে সেখানে মান্য করা হয় #%১১%# এবং যে আমানতদার।মুফতী তাকী উসমানী
যাকে সেখানে মান্য করা হয় এবং যে বিশ্বাসভাজন।মুজিবুর রহমান
সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যাকে সেখানে মান্য করা হয়, যে বিশ্বাসভাজন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মান্যবর, সেখানে সে বিশ্বস্ত।আল-বায়ান
সেখানে মান্য ও বিশ্বস্ত।তাইসিরুল
যাঁকে মেনে চলতে হয়, আর যিনি বিশ্বাসভাজন।মাওলানা জহুরুল হক
১৬
অর্থাৎ তিনি ফেরেশতাদের কর্মকর্তা। সমস্ত ফেরেশতা তাঁর হুকুমে কাজ করে।
১৭
অর্থাৎ নিজের পক্ষে থেকে তিনি কোন কথা আল্লাহর অহীর সাথে মিশিয়ে দেবেন না। বরং তিনি এমন পর্যায়ের আমানতদার যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে যা কিছু বলা হয় সেগুলো তিনি হুবহু পৌঁছিয়ে দেন।
অর্থাৎ ঊর্ধ্ব জগতে অন্যান্য ফেরেশতা তাকে মান্য করে চলে।
২১. সে মান্য সেখানে, বিশ্বাসভাজন।(১)
(১) অর্থাৎ এই কুরআন একজন সম্মানিত দূতের আনীত কালাম। তিনি শক্তিশালী, আরশের অধিপতির কাছে মর্যাদাশীল। তিনি ফেরেশতাদের নিকট মান্য। সমস্ত ফেরেশতা তাকে মান্য করে। তিনি আল্লাহর বিশ্বাসভাজন; পয়গাম আনা নেয়ার কাজে তার তরফ থেকে বিশ্বাসভঙ্গ ও কম বেশী করার সম্ভাবনা নেই। নিজের পক্ষ থেকে তিনি কোন কথা আল্লাহর অহীর সাথে মিশিয়ে দেবেন না। বরং তিনি এমন পর্যায়ের আমানতদার যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে যা কিছু বলা হয় সেগুলো তিনি হুবহু পৌছিয়ে দেন। (মুয়াস্সার, সাদী)
২১। যে সেখানে মান্যবর এবং বিশ্বাসভাজন। (1)
(1) অর্থাৎ, ফিরিশতাবর্গের মাঝে তাঁর আনুগত্য করা হয়। তিনি হলেন ফিরিশতাবর্গের সর্দার ও মান্যবর। এ ছাড়া অহীর ব্যাপারেও তিনি আমানতদার।