ওয়ামা-হুওয়া বিকাওলি শাইতা-নির রজীম।উচ্চারণ
এটা কোন অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয়। ২১ তাফহীমুল কুরআন
এবং এটা (অর্থাৎ কুরআন) কোন বিতাড়িত শয়তানের (রচিত) বাণীও নয়।মুফতী তাকী উসমানী
এবং ইহা অভিশপ্ত শাইতানের বাক্য নয়।মুজিবুর রহমান
এটা বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং এটা অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের উক্তি নয়।আল-বায়ান
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়ত্বানের বাণী নয়।তাইসিরুল
আর এটি কোনো বিতাড়িত শয়তানের বক্তব্য নয়।মাওলানা জহুরুল হক
২১
অর্থাৎ কোন শয়তান এসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কানে এসব কথা বলে যায়, তোমাদের এ ধারণা ভুল। শয়তান কেন মানুষকে শিরক, মূর্তিপূজা, কুফরী ও আল্লাহদ্রোহিতা থেকে সরিয়ে আল্লাহপরস্তি ও তাওহীদের শিক্ষা দেবে? কেন সে মানুষের মনে লাগামহীন উটের মতো স্বাধীন জীবন যাপন করার পরিবর্তে আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব পালন ও তাঁর সামনে জবাবদিহি করার অনুভূতি জাগাবে? জাহেলী রীতিনীতি, জুলুম, দুর্নীতি ও দুস্কৃতির পথে চলতে বাধা দিয়ে কেন সে মানুষকে পবিত্র ও নিষ্কলুষ জীবন যাপন এবং ন্যায়, ইনসাফ, তাকওয়া ও উন্নত নৈতিক চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করতে উদ্ধুদ্ধ করবে? এই ধরনের কাজ করা শয়তানের পক্ষে কোনক্রমেই সম্ভব নয়। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, আশ শু’আরা ২১০-২১২ আয়াত ও ১৩০-১৩২ টীকা এবং ২২১-২২৩ আয়াত ও ১৪০-১৪১ টীকা)
২৫. আর এটা কোন অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয়।
২৫। এবং এ (কুরআন) বিতাড়িত শয়তানের কথা নয়। (1)
(1) যেমন, জ্যোতিষীদের নিকট শয়তান আসে এবং আসমানের কিছু চুরি করে শোনা গোপন কথা অসম্পূর্ণভাবে তাকে বলে দেয়। কুরআন কিন্তু এরূপ নয়।