ইযাছ ছামাউন ফাতারত।
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
ওয়া ইযাল কাওয়া-কিবুন তাছারত।
আর যখন নক্ষত্রসব বিক্ষিপ্ত হবে,
ওয়া ইযাল বিহা-রু ফুজ্জিরত।
আর যখন সমুদ্রগুলো উচ্ছলিত হবে,
ওয়া ইযাল কুবূরু বু‘ছিরত।
আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে, --
‘আলিমাত নাফছুম মা-কাদ্দামাত ওয়া আখখারত।
তখন প্রত্যেকেই জানতে পারবে সে কী আগ-বাড়িয়েছে, আর কী সে পেছনে ফেলে রেখেছে।
ইয়াআইয়ূহাল ইনছা-নুমা-গাররকা বিরব্বিকাল কারীম।
ওহে মানব! কিসে তোমাকে ভুলিয়েছে তোমার মহানুভব প্রভুসন্বন্ধে --
আল্লাযী খালাকাকা ফাছাওওয়া-কা ফা‘আদালাক।
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন, --
ফীআইয়ি সূরতিম মা- শাআ রক্কাবাক।
যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন সেইভাবে তিনি তোমাকে গঠন করেছেন?
কাল্লা-বাল তুকাযযিবূনা বিদ্দীন।
না, তোমরা বরং সদ্বিচারকেই মিথ্যারোপ করছ।
ওয়া ইন্না ‘আলাইকুম লাহা-ফিজীন।
অথচ তোমাদের উপরে নিশ্চয়ই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে, --
কির-মান ক-তিবীন।
সম্মানিত লিপিকারগণ,
ইয়া‘লামূনা মা-তাফ‘আলূন।
তারা জানে তোমরা যা-কিছু কর।
ইন্নাল আবর-র লাফী না‘ঈম।
ধার্মিকরা নিশ্চয় থাকবে আনন্দেরই মাঝে,
ওয়া ইন্নাল ফুজ্জা-র লাফী জাহীম।
আর পাপাচারীরা আলবৎ থাকবে ভয়ংকর আগুনে, --
ইয়াসলাওনাহা-ইয়াওমাদ্দীন।
তারা এতে প্রবেশ করবে বিচারের দিনে
ওয়ামা-হুম ‘আনহা-বিগাইবীন।
আর তারা এর থেকে গরহাজির থাকতে পারবে না।
ওয়ামাআদর-কা মা-ইয়াওমুদ্দীন।
আর কিসে তোমাকে বুঝতে দেবে কী সেই বিচারের দিন?
ছু ম্মা মাআদর-কা মা-ইয়াওমুদ্দীন।
পুনরায় কিসে তোমাকে বোঝানো যাবে বিচারের দিন কি?
ইয়াওমা লা-তামলিকুনাফছুল লিনাফছিন শাইআওঁ ওয়াল আমরু ইয়াওমাইযিল লিল্লা-হি।
এ সেইদিন যেদিন কোনো সত্ত্বা কোনো আত্মার জন্যে কোনো-কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না। আর কর্তৃত্ব সেইদিন হবে আল্লাহ্রই।