وَإِذَا ٱلۡبِحَارُ فُجِّرَتۡ

ওয়া ইযাল বিহা-রু ফুজ্জিরত।উচ্চারণ

যখন সমুদ্র ফাটিয়ে ফেলা হবে তাফহীমুল কুরআন

এবং যখন সাগরসমূহকে উদ্বেলিত করা হবে,মুফতী তাকী উসমানী

যখন সমুদ্র উদ্বেলিত হবে,মুজিবুর রহমান

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সমুদ্র যখন উদ্বেলিত হবে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যখন সমুদ্রগুলোকে একাকার করা হবে।আল-বায়ান

সমুদ্রকে যখন উত্তাল করে তোলা হবে,তাইসিরুল

আর যখন সমুদ্রগুলো উচ্ছলিত হবে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

সূরা তাকভীরে বলা হয়েছে, সমুদ্রগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হবে এবং এখানে বলা হয়েছে, সমুদ্রগুলোকে ফাটিয়ে ফেলা হবে। এই উভয় আয়াতকে মিলিয়ে দেখলে এবং কুরআনের দৃষ্টিতে কিয়ামতের দিন এমন একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প হবে যা কোন একটি বিশেষ এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং একই সময় সারা দুনিয়াকে প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত করে দেবে, এ বিষয়টিকেও সামনে রাখলে সমুদ্রগুলোর ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়ার ও তার মধ্যে আগুন লেগে যাবার প্রকৃত অবস্থাটি আমরা অনুধাবন করতে পারি। আমরা বুঝতে পারি, প্রথমে ঐ মহাভূকম্পনের ফলে সমুদ্রের তলদেশ ফেটে যাবে এবং সমুদ্রের পানি ভূগর্ভের অভ্যন্তরভাগে নেমে যেতে থাকবে যেখানে সর্বক্ষণ প্রচণ্ড গরম লাভা টগবগ করে ফুটছে। এই গরম লাভার সাথে সংযুক্ত হবার পানি তার প্রাথমিক অবস্থায় অর্থাৎ প্রাথমিক দু’টি মৌলিক উপাদান অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনে পরিণত হবে। এর মধ্যে অক্সিজেন আগুন জ্বালানোয় সাহায্য করে এবং হাইড্রোজেন নিজে জ্বলে উঠে। এভাবে প্রাথমিক মৌলিক উপাদানে পরিণত হওয়া ও আগুন লেগে যাওয়ার একটি ধারাবাহিক প্রতিক্রিয়া (chain reaction) চলতে থাকবে। এভাবে দুনিয়ার সবগুলো সাগরে আগুন লেগে যাবে। এটা আমাদের তাত্ত্বিক পর্যালোচনা ভিত্তিক অনুমান। তবে এর সঠিক জ্ঞান আল্লাহ‌ ছাড়া আর কারোর নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩. আর যখন সাগরগুলো বিস্ফোরিত করা হবে,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৩। যখন সমুদ্রগুলি উদ্বেলিত হবে, (1)

(1) আর সমস্ত সমুদ্রের পানি একটি সমুদ্রে জমা হয়ে যাবে। (অথবা সমস্ত সমুদ্র একটি সমুদ্রে পরিণত হবে। লোনা-মিঠা এক হয়ে যাবে।) তারপর আল্লাহ তাআলা পশ্চিমী হাওয়া প্রেরণ করবেন, যা তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, যার ফলে আকাশ-ছোঁয়া আগুনের শিখা উঠতে থাকবে।