ইকর বিছমি রব্বিকাল্লাযী খালাক।
তুমি পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন, --
খালাকাল ইনছা-না মিন ‘আলাক।
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে এক রক্তপিন্ড থেকে।
ইকর’ ওয়া রব্বুকাল আকরম
পড়ো! আর তোমার প্রভু মহাসম্মানিত --
অল্লাযী ‘আল্লামা বিলকালাম।
যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলমের মাধ্যমে,
‘আল্লামাল ইনছা-না-মা-লাম ইয়া‘লাম।
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানতোই না।
কাল্লাইন্নাল ইনছা-না লাইয়াতগা।
বস্তুতঃ মানুষ নিশ্চয়ই সীমালংঘন করেই থাকে।
আররআ-হুছ তাগনা-।
কারণ সে নিজেকে স্বয়ংসমৃদ্ধ দেখে।
ইন্না ইলা-রব্বিকার রুজ‘আ-।
নিশ্চয় তোমার প্রভুর কাছেই প্রত্যাবর্তন।
আরআইতাল্লাযী ইয়ানহা-
তুমি কি তাকে দেখেছ যে বারণ করে --
‘আবদান ইযা-সাল্লা-।
একজন বান্দাকে যখন সে নামায পড়ে?
আরআইতা ইন ক-না ‘আলাল হুদা।
তুমি কি লক্ষ্য করেছ -- সে সৎপথে রয়েছে কি না,
আও আমার বিত্তাকাওয়া-।
অথবা ধর্মভীরুতা অবলন্বনের নির্দেশ দেয় কিনা?
আরআইতা ইন কাযযাবা ওয়া তাওয়াল্লা-।
তুমি কি দেখেছ -- সে মিথ্যারোপ করছে ও ফিরে যাচ্ছে কি না?
আলাম ইয়া‘লাম বিআন্নাল্লা-হা ইয়ার-।
সে কি জানে না যে আল্লাহ্ অবশ্যই দেখতে পাচ্ছেন?
কাল্লা-লাইল্লাম ইয়ানতাহি লানাছফা‘আম বিন্না-সিয়াহ।
না, যদি সে না থামে তবে আমরা নিশ্চয় টেনে ধরব কপালের চুলের গোছা --
না-সিয়াতিন ক-যিবাতিন খা-তিআহ।
মিথ্যাচারী পাপাচারী চুলের গোছা!
ফালইয়াদ‘উ নাদিয়াহ,
তাহলে সে ডাকুক তার সাঙ্গোপাঙ্গদের,
ছানাদ‘উঝঝাবা-নিয়াহ।
আমরাও সঙ্গে সঙ্গে ডাকবো দুর্ধর্ষ বাহিনীকে।
কাল্লা- লা-তুতি‘হু ওয়াছজু দ ওয়াকতারিব (ছিজদাহ-১৪)।
না, তুমি তার আজ্ঞা পালন করো না, বরং তুমি সিজদা করো এবং নিকটবর্তী হও।