۩ كَلَّا لَا تُطِعۡهُ وَٱسۡجُدۡۤ وَٱقۡتَرِب

কাল্লা- লা-তুতি‘হু ওয়াছজু দ ওয়াকতারিব (ছিজদাহ-১৪)।উচ্চারণ

কখনই নয়, তার কথা মেনে নিয়ো না, তুমি সিজদা করো এবং (তোমার রবের) নৈকট্য অর্জন করো। ১৬ তাফহীমুল কুরআন

সাবধান! তার আনুগত্য করো না এবং সিজদা কর ও নিকটবর্তী হও। মুফতী তাকী উসমানী

সাবধান! তুমি তার অনুসরণ করনা। সাজদাহ কর ও আমার নিকটবর্তী হও। [সাজদাহ] ۩মুজিবুর রহমান

কখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সাবধান ! তুমি এর অনুসরণ কর না এবং সিজ্দা কর ও আমার নিকটবর্তী হও।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, তুমি তার আনুগত্য করবে না। আর সিজদা কর এবং নৈকট্য লাভ কর। [সাজদাহ] ۩আল-বায়ান

না, তুমি কক্ষনো তার অনুসরণ করো না, তুমি সাজদাহ কর আর (আল্লাহর) নৈকট্য লাভ কর। [সাজদাহ] ۩তাইসিরুল

না, তুমি তার আজ্ঞা পালন করো না, বরং তুমি সিজদা করো এবং নিকটবর্তী হও।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৬

সিজদা করা মানে নামায পড়া। অর্থাৎ হে নবী! তুমি নির্ভয়ে আগের মতো নামায পড়তে থাকো। এর মাধ্যমে নিজের রবের নৈকট্য লাভ করো। সহীহ মুসলিম ইত্যাদি গ্রন্থে হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত হাদীস উদ্ধৃত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছেঃ “বান্দা সিজদায় থাকা অবস্থায় তার রবের সবচেয়ে বেশী নিকটবর্তী হয়।” আবার মুসলিমে হযরত আবু হুরাইরার (রা.) এ রেওয়ায়াতটিও উদ্ধৃত হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন এ আয়াতটি পড়তেন তখন তেলাওয়াতে সিজদা করতেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অত্যন্ত প্রীতিপূর্ণ বাক্য এটি। এর দ্বারা বোঝা যায়, সিজদা অবস্থায় আল্লাহ তাআলার সাথে বান্দার বিশেষ নৈকট্য অর্জিত হয়। এটি সিজদার আয়াত। এটি পাঠ করলে বা শুনলে সিজদা ওয়াজিব হয়ে যায়।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯. কখনো নয়! আপনি তার অনুসরণ করবেন না। আর আপনি সিজদা করুন এবং নিকটবর্তী হোন।(১) (সাজদাহ) ۩

(১) এতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আদেশ করা হয়েছে যে, আবু জাহলের কথায় কর্ণপাত করবেন না এবং সেজদা ও সালাতে মশগুল থাকুন। সিজদা করা মানে সালাত আদায় করা। অর্থাৎ হে নবী! আপনি নিৰ্ভয়ে আগের মতো সালাত আদায় করতে থাকুন। এর মাধ্যমে নিজের রবের নৈকট্য লাভ করুন। কারণ, এটাই আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জনের উপায়। (কুরতুবী) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “বান্দা যখন সেজদায় থাকে, তখন তার পালনকর্তার অধিক নিকটবর্তী হয়। তাই তোমরা সেজদায় বেশী পরিমাণে দোআ কর।” (মুসলিম: ৪৮২, আবু দাউদ: ৮৭৫, নাসায়ী: ২/২২৬, মুসনাদে আহমাদ: ২/৩৭০) অন্য এক হাদীসে আরও বলা হয়েছে, “সাজ্‌দার অবস্থায় কৃত দো'আ কবুল হওয়ার যোগ্য”। (মুসলিম: ৪৭৯. আবু দাউদ: ৮৭৬, নাসায়ী: ২/১৮৯, মুসনাদে আহমাদ: ১/২১৯)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১৯। সাবধান! তুমি তার অনুসরণ করো না। তুমি সিজদা কর ও আমার নিকটবর্তী হও। (1) (সাজদাহ) ۩

(1) (এই আয়াত পাঠ করার পর সিজদা করা মুস্তাহাব। সিজদার আহকাম জানতে সূরা আ’রাফের শেষ আয়াতের টীকা দেখুন।)