ٱلَّذِي عَلَّمَ بِٱلۡقَلَمِ

অল্লাযী ‘আল্লামা বিলকালাম।উচ্চারণ

যিনি কলমের সাহায্যে জ্ঞান শিখিয়েছেন। তাফহীমুল কুরআন

যিনি কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন,মুফতী তাকী উসমানী

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।মুজিবুর রহমান

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।আল-বায়ান

যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলম দিয়ে,তাইসিরুল

যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলমের মাধ্যমে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ তাঁর অশেষ মেহেরবানী। এই হীণতম অবস্থা থেকে শুরু করে তিনি মানুষকে জ্ঞানের অধিকারী করেছেন এটি সৃষ্টির সবচেয়ে বড় গুণ হিসেবে স্বীকৃত। আর তিনি মানুষকে কেবল জ্ঞানের অধিকারীই করেননি, কলম ব্যবহার করে তাকে লেখার কৌশল শিখিয়েছেন। এর ফলে কলম জ্ঞানের ব্যাপক প্রসার, উন্নতি এবং বংশানুক্রমিক প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। যদি তিনি ইলহামী চেতনায় সাহায্যে মানুষকে কলম ব্যবহার করার ও লেখার কৌশল না শেখাতেন তাহলে মানুষের জ্ঞানগত যোগ্যতা স্তব্ধ ও পংগু হয়ে যেতো। তার বিকশিত ও সম্প্রসারিত হবার এবং বংশানুক্রমিক অগ্রগতি তথা এক বংশের জ্ঞান আর এক বংশে পৌঁছে যাবার এবং সামনের দিকে আরো উন্নতি ও অগ্রগতি লাভ করার সুযোগই তিরোহিত হতো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৪. যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন(১)-

(১) মানব সৃষ্টির কথা বর্ণনার পর এখানে মানুষের শিক্ষার প্রসঙ্গটি উল্লেখিত হয়েছে। মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি মানুষকে কলমের মাধ্যমে তথা লেখার শিক্ষা দান করেছেন। তা না হলে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের উন্নতি, বংশানুক্রমিক ক্ৰমবিকাশ সম্ভব হত না। জ্ঞান, প্রজ্ঞা, পূর্ববর্তদের জীবন-কাহিনী, আসমানী-কিতাব সব কিছুই সংরক্ষিত হয়েছে লেখনির মাধ্যমে। কলম না থাকলে, দ্বীন এবং দুনিয়ার কোন কিছুই পূর্ণরূপে গড়ে উঠত না। (ফাতহুল কাদীর) হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আল্লাহ তা'আলা যখন প্রথম সবকিছু সৃষ্টি করেন, তখন আরশে তার কাছে রক্ষিত কিতাবে একথা লিপিবদ্ধ করেন যে, আমার রহমত আমার ক্রোধের উপর প্রবল থাকবে।” (বুখারী: ৩১৯৪, ৭৫৫৩, মুসলিম: ২৭৫১) হাদীসে আরও বলা হয়েছে, “আল্লাহ তা'আলা সর্বপ্রথম কলম সৃষ্টি করেন এবং তাকে লেখার নির্দেশ দেন। সেমতে কলম কেয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হবে, সব লিখে ফেলে।” (মুসনাদে আহমাদ: ৫/৩১৭)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। (1)

(1) قَلم অর্থ হল কাটা, চাঁছা বা ছিলা। পূর্ব যুগে লোকেরা কেটে বা চেঁছে কলম তৈরী করত। এই জন্য লেখার যন্ত্রকে কলম বলা হয়। কিছু ইলম (জ্ঞান) তো মানুষের স্মৃতিতে থাকে, কিছু আবার জিহবা দ্বারা প্রকাশ করা হয়, আর কিছু ইলম মানুষ কলম দ্বারা কাগজে লিখে হিফাযত করে থাকে। মস্তিষ্ক ও স্মৃতিতে যা থাকে তা মানুষের সাথে চলে যায়। জিহ্বা দ্বারা যা প্রকাশ করা হয়, তাও সংরক্ষিত।