কাল্লাইন্নাল ইনছা-না লাইয়াতগা।উচ্চারণ
কখনই নয়, ৭ মানুষ সীমালংঘন করে। তাফহীমুল কুরআন
বস্তুত মানুষ প্রকাশ্য অবাধ্যতা করছে মুফতী তাকী উসমানী
বস্তুতঃ মানুষতো সীমালংঘন করেই থাকে,মুজিবুর রহমান
সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বস্তুত মানুষ তো সীমালংঘন করেই থাকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে থাকে।আল-বায়ান
না (এমন আচরণ করা) মোটেই ঠিক নয়, মানুষ অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করে,তাইসিরুল
বস্তুতঃ মানুষ নিশ্চয়ই সীমালংঘন করেই থাকে।মাওলানা জহুরুল হক
৭
অর্থাৎ যে মেহেরবান আল্লাহ এত বড় মেহেরবানী করেছেন তাঁর মোকাবেলায় মূর্খতার বশবর্তী হয়ে কখনো এমন কর্মনীতি অবলম্বন করা উচিত নয় যা সামনের দিকে বর্ণনা করা হচ্ছে।
৬নং থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত আয়াতগুলি হেরা গুহার উপরিউক্ত ঘটনার বহু কাল পর নাযিল হয়েছে। যে ঘটনার প্রেক্ষাপটে এ আয়াতসমূহ নাযিল হয়েছে তা হল, আবু জাহল ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘোর শত্রু। একদিন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবা শরীফের চত্বরে নামায পড়ছিলেন। আবু জাহল দেখে বাধা দিল এবং এ কথাও বলল যে, তুমি নামায পড়লে আমি পা দিয়ে মাড়িয়ে তোমার গর্দান পিষে দেব (নাউযুবিল্লাহ)। তখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াতসমূহ নাযিল করেন।
৬. বাস্তবেই(১), মানুষ সীমালঙ্ঘনই করে থাকে,
(১) كلا বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে, حقا বা বাস্তবেই, অবশ্যই হয় এমন। (মুয়াস্সার, তাফসীরুল কুরআন লিল উসাইমীন: ১/২৬১)
৬। বস্তুত মানুষ তো সীমালংঘন করেই থাকে।