1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত দুই ধরনের বীজ হলো- উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ ও কৃষিতাত্ত্বিক বীজ। নিচে এই দুই ধরনের বীজের তুলনামূলক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
ফসল বীজ বা উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ ফসল উৎপাদনের মৌলিক উপকরণ।
যেসব ফসল কেবল বীজের মাধ্যমেই ফলানো সম্ভব সে ক্ষেত্রে উদ্ভিদের বংশরক্ষার্থে ফসল বীজের বিকল্প নেই। আবার, অনেক ফসলের বংশবিস্তার বীজ দ্বারা সম্ভব হয়না বা হলেও দীর্ঘসময়ের ব্যবধানে ফলন পাওয়া যায়।
উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজের মাধ্যমে উন্নত জাতের ফসল ফলানো সম্ভব, ফলে উদ্ভিদের বংশধারা টিকে থাকে। কোনো কোনো বীজ ঔষধ ও শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, কৃষিতাত্ত্বিক বীজে উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, শাখা, পাতা, শিকড়, কুঁড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় বলে মাতৃগুণাগুণ বজায় থাকে। একই গাছে একাধিক জাতের সংযোজন ঘটানো যায়। উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ রোগ, পোকামাকড় ও আগাছা বিস্তার রোধ করে এবং মানুষসহ পশুপাখির খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজের মাধ্যমে বীজবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
তাই বলা যায়, ফসল উৎপাদনে কৃষিতাত্ত্বিক ও উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ।