1 Answers

উদ্দীপকের জলিল সাহেবের মধ্যে সুনাগরিকদের বিবেক ও আত্মসংযম গুণ দুটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সুনাগরিকের অন্যতম গুণ হলো বিবেক। এ গুণের মাধ্যমে নাগরিক ন্যায়- অন্যায়, সৎ-অসৎ, ভালো-মন্দ অনুধাবন করতে পারে। বিবেকবান নাগরিক একদিকে যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকে। উদ্দীপকের জলিল সাহেব সবসময় নিজ দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রতি সচেতন থাকেন। প্রতিটি ফাইল তিনি যাচাই-বাছাই করে স্বাক্ষর করেন। জলিল সাহেবের এরূপ কাজ সুনাগরিকের বিবেক গুণেরই প্রতিফলন।
আত্মসংযম সুনাগরিকের আরেকটি গুণ। আত্মসংযম অর্থ নিজেকে সকল প্রকার লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করা। অর্থাৎ সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করার নাম আত্মসংযম। উদ্দীপকের জলিল সাহেব ইচ্ছা করলে টাকার বিনিময়ে অবৈধ কাগজ সই করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি সমাজের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে লোভ সংবরণ এবং ঘুষের টাকা প্রত্যাখ্যান করেন, যা সুনাগরিকের আত্মসংযম গুণের পরিচায়ক।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, বিবেকবান ও আত্মসংযমী নাগরিক দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকেরই সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন করা উচিত।

5 views

Related Questions