1 Answers

উদ্দীপকে নানু সাহেবের প্রচেষ্টা নওয়াব আব্দুল লতিফ-এর প্রতি ইঙ্গিত করেছে।
নওয়াব আব্দুল লতিফ বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেন। এই উদ্দেশ্যে জনমত গঠনের জন্য তিনি ১৮৫৩ সালে 'মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল' শীর্ষক এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। তার প্রচেষ্টায় হিন্দু কলেজ প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করা হলে মুসলমান ছাত্ররা সেখানে পড়ালেখা করার সুযোগ পায়। তিনি ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম প্রভৃতি স্থানে মাদ্রাসা স্থাপন করেন। আব্দুল লতিফের প্রচেষ্টার কারণে ১৮৭২ সালে মহসিন ফান্ডের টাকা শুধু বাংলার মুসলমানদের শিক্ষায় ব্যয় হবে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নওয়াব আবদুল লতিফের সারা জীবনের কর্মের মূল উদ্দেশ্য ছিল তিনটি। যথা- মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি ইংরেজ সরকারের বিদ্বেষভাব দূর করা, মুসলমান সমাজের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে মৈত্রী প্রতিষ্ঠা করা। উদ্দীপকেও আমরা দেখি, নান্নু সাহেব ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে তার প্রতিষ্ঠানে মাঝে মাঝে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নান্নু সাহেবের এ প্রচেষ্টা নওয়াব আব্দুল লতিফের কর্মকাণ্ডের অনুরূপ।
আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে নওয়াব আব্দুল লতিফের ভূমিকা ছিল অসামান্য।

5 views

Related Questions