1 Answers
দৃশ্যপট-২-এর সাথে বাংলাদেশের মহান ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মিল পাওয়া যায়। স্বাধীনতা অর্জনে এ মহান ব্যক্তির ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সারা জীবনের কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রাম নির্দেশিত হয়েছে বাঙালির জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে। ১৯৪৮ ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনরিরোধী আন্দোলনেও ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৬ সালের ছয়দফাভিত্তিক আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। পাকিস্তানের চব্বিশ বছরের মধ্যে ১২ বছর তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়লে ২৬ মার্চ ১৯৭১-এর প্রথম প্রহরে তিনি সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়েই বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করে।
দৃশ্যপট-২-এ ফিলিস্তিনের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাতের কথা বলা হয়েছে। ইয়াসির আরাফাত ও তার দলের উদ্দেশ্য ছিল যে কোনো মূল্যে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা। ইয়াসির আরাফাতের সাথে পূর্বে আলোচিত বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা সাদৃশ্যপূর্ণ।
আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল অতুলনীয়।