1 Answers
উদ্দীপকে উল্লেখিত আধুনিক মালয়েশিয়ার গঠনে মাহাথির মোহাম্মদের সফল নেতৃত্বের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে মাহাথির মোহাম্মদ তার দেশ মালয়েশিয়াকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেন। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উন্নয়নের মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধিসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। এ কারণে তাকে আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক বলা হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও অনুরূপ বক্তব্য প্রযোজ্য। কারণ, তিনিও বাংলাদেশের উন্নয়নে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের মতোই অবদান রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ফলেই দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্পসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমহের মাধ্যমে অভূতপূর্ব উন্নয়নকে গতিশীল রাখা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তার সরকার শতভাগ ছাত্র- ছাত্রীকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করা হয়েছে। শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নেও শেখ হাসিনার সরকার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। নারীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১'। এছাড়া শেখ হাসিনার সরকার শিশুদের সার্বিক অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিশুনীতি ২০১১। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনার সরকার, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, কৃষির উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, বৈদেশিক নীতির বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে' উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।