1 Answers
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রাসমোহন বাবুর সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মহামানব শ্রীশঙ্করাচার্যের সাদৃশ্য আছে।
শ্রীশঙ্করাচার্য একজন অসাধারণ পণ্ডিত ছিলেন। বালক বয়সেই তিনি পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তাঁর স্মৃতিশক্তি বা মেধা ছিল অত্যন্ত প্রখর। উদ্দীপকে রাসমোহন বাবুর যে পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে তা শ্রীশঙ্করাচার্যের জীবনীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পাঁচ বছর বয়সে মাতা বিশিষ্ঠা দেবী শ্রীশঙ্করাচার্যের উপনয়ন দেন। উপনয়নের পর শাস্ত্র শিক্ষার জন্য তাঁকে গুরুগৃহে পাঠানো হয়। সেখানে মাত্র দুই বছরের মধ্যে শঙ্কর বেদ, বেদান্ত, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি শাস্ত্রেও পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। মাত্র সাত বছর বয়সে বাড়ি ফিরে তিনি একটি টোল খুলে ছাত্র পড়াতে শুরু করেন। প্রথমে পণ্ডিতেরা তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলেও ক্রমে শঙ্করের পান্ডিত্যের পরিচয় পেয়ে সবাই তাঁর নিকট মাথা নত করেন। শাস্ত্র বিচারে তিনি খুবই পারদর্শী ছিলেন। শ্রীশঙ্করাচার্যের ধর্মের মূলকথা হলো অদ্বৈতবাদ। - তিনি বলেন- 'ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা।' মাত্র ৩২ বছর বয়সে এ ৪ মহামানব ইহলীলা সংবরণ করেন।