1 Answers

উদ্দীপকে মহামানবের জন্মের ঘটনার সাথে সিদ্ধার্থ গৌতমের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়- শীর্ষক উক্তিটি যথার্থ।

রানি মহামায়াদেবী একটি বিশেষ স্বপ্ন দেখায় রাজজ্যোতিষীরা বলেছিলেন, মহারাজ সুসংবাদ আছে, আনন্দ করুন। রানি মায়াদেবীর পুত্রসন্তান হবে। শাক্যবংশে এক মহাপুরুষের আবির্ভাব হবে। তিনি জগতে বুদ্ধ নামে খ্যাত হবেন। অতঃপর লুম্বিনী কাননে শালবৃক্ষের নিচে বৈশাখী পূর্ণিমার শুভক্ষণে জগতের আলো ভাবী বুদ্ধ সিদ্ধার্থ গৌতম ভূমিষ্ঠ হন। উদ্দীপকে দেখা যায়, আশীষ বড়ুয়া ও অতশী বড়ুয়া নিঃসন্তান হওয়ায় তাদের মনে কোন শান্তি ছিল না। বিশেষ এক তিথিতে স্ত্রী অতশী বড়ুয়া এক বিস্ময়কর স্বপ্ন দেখেন। উক্ত স্বপ্নের কথা আশীষ বড়ুয়া জানতে পেরে এক আচার্যের নিকট এই বিষয়টি সম্বন্ধে জানতে চাইলেন। আচার্য বললেন, আপনার ঘরে এক মহামানবের আগমন ঘটবে। যেমনটি রানি মহামায়ার স্বপ্নের কথা শুনে রাজজ্যোতিষীরা বলেছিলেন।'

সিদ্ধার্থ গৌতম বাল্যকাল থেকেই ধ্যানী প্রকৃতির ছিলেন। রাজকুমার হয়েও মানুষের দুঃখমুক্তির উপায় অনুসন্ধানের জন্য তিনি গৃহত্যাগ করেন এবং সন্ন্যাস জীবন গ্রহণ করেন। তারপর কঠোর ছয় বছর সাধনায় লাভ করেন বুদ্ধত্ব। আবিষ্কার করেন দুঃখমুক্তির পথ। জীবপ্রেম, অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করে তিনি মহাকারুণিক বৃদ্ধ নামে খ্যাত হন।

পরিশেষে বলা যায়, বুদ্ধ বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক সিদ্ধার্থ গৌতম মানুষকে নৈতিক ও মানবিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় জগতে একজন মহামানবরূপে পরিগণিত। উদ্দীপকে উল্লেখিত মহামানবের জন্মঘটনার সাথে তাঁরই জন্মের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

5 views

Related Questions