1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত বর্ণনানুযায়ী জামাল ও কামাল যথাক্রমে হাঁপানি বা অ্যাজমা ও ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত।
অ্যাজমা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। একটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়। সাধারণত এলার্জি সৃষ্টি করে এমন খাবার খেলে, বায়ুর সাথে ধোঁয়া, ধূলাবালি, ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। এছাড়াও বছরের বিশেষ ঋতুতে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগটি বেড়ে যায়। চিকিৎসায় এ রোগটি সম্পূর্ণ নিরাময় হয় না। তবে নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। অপরদিকে রাসায়নিক শিল্প-কারখানায় চাকুরি এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে রাফেজ জাতীয় খাবার গ্রহণ না করার ফলে কামাল ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। এর ফলে তার ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফুসফুসের ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে রেডিয়েশন থেরাপির মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা যায়। কিন্তু ক্যান্সারে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক বেশি, যা হাঁপানির ক্ষেত্রে নেই বললেই চলে।
তাই বলা যায়, জামালের চেয়ে কামাল বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।