1 Answers
উদ্দীপকে বক্সারের যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে।
পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ইংরেজ বণিক কোম্পানি মীরজাফরকে সিংহাসনে বসায়। কিন্তু মীরজাফরকে দিয়ে ইংরেজ বণিক কোম্পানির উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় তারা মীর জাফরকে সরিয়ে মীর কাশিমকে শর্ত সাপেক্ষে সিংহাসনে বসায়। মীর কাশিম ছিলেন স্বাধীনচেতা নবাব। তিনি ক্ষমতারোহণের পর স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করতে চেয়েছিলেন। ফলে ইংরেজদের সাথে তার যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। ইংরেজদের মোকাবিলা করার জন্য মীর কাশিম অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট শাহ আলমের সাথে জোট বেঁধে ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে নবাবের সম্মিলিত বাহিনী ইংরেজ বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়। ইতিহাসে ইংরেজদের সাথে মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনীর এই যুদ্ধ বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধের ফলশ্রুতিতে বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসন শুরু হয়।
উদ্দীপকের জনাব হোসেন সাহেব তার নাতিকে বললেন, পলাশির যুদ্ধের ছয় বছর পর অন্য আরেকটি যুদ্ধে ইংরেজরা জয়ী হলে বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসন শুরু হয়। উপরের বর্ণনা অনুযায়ী পলাশির যুদ্ধের ছয় বছর পর বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যার মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতা স্থায়ীভাবে ব্রিটিশদের হাতে চলে যায়।