1 Answers

উদ্দীপকে উল্লেখিত ঘনশ্যাম বাবুর ঘটনার সাথে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের মিল রয়েছে।

রাজা শশাংকের মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিল না। ফলে সমগ্র বাংলা জুড়ে চরম অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মণের হাতে গৌড় রাজ্য ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়, অন্যদিকে ভূ-স্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার জন্য একে অপরের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হয়। কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো তখন কেউ ছিল না। প্রায় একশত বছর এ অবস্থা অব্যাহত থাকে। দীর্ঘদিনের এ অরাজকতা থেকে মুক্তি লাভের জন্য দেশের প্রবীণ নেতারা ঠিক করেন, তারা সবাই মিলে একজনকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করবেন এবং সবাই স্বেচ্ছায় তার প্রভুত্ব মেনে নিবেন। এরপর তারা গোপাল নামক এক ব্যক্তিকে রাজা নির্বাচিত করেন। এভাবে রাজা নির্বাচিত হয়ে গোপাল অরাজক অবস্থার অবসান ঘটান এবং পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

উদ্দীপকের বর্ণনায় লক্ষণীয়, জননেতা ইমাম সাহেবের মৃত্যুর পর এলাকায় চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা থেকে রক্ষা পাবার জন্য এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিবর্গ ঘনশ্যাম বাবুকে তাদের নেতা নির্বাচিত করেন, যা উপরে আলোচিত গোপালের রাজা নির্বাচিত হওয়ার ঘটনার অনুরূপ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত ঘনশ্যাম বাবুর ঘটনার সাথে পাল শাসক গোপালের ঘটনার মিল রয়েছে।

4 views

Related Questions