1 Answers

ধীমান বাবুর জীবনযাপনের সাথে আশ্রমের চতুর্থ স্তর অর্থাৎ সন্ন্যাস আশ্রমের মিল রয়েছে।

আশ্রম জীবনে চতুর্থ পর্যায়ে আসে সন্ন্যাসের কথা। এ সময় পঁচাত্তর থেকে একশ বছরের মধ্যে জীবনধারণের শাস্ত্রীয় নির্দেশ আছে। সন্ন্যাস শব্দের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ। এই আশ্রমে এসে সন্ন্যাসী একাকী জীবনধারণ করবেন। এ সময় সন্ন্যাসীদের সঙ্গে তার স্ত্রীও থাকবেন না। সন্ন্যাসী জাগতিক সকল কর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তাতেই মগ্ন থাকবেন। মাত্র দুপুর বেলার আহারের সামগ্রী লোকালয় থেকে সংগ্রহ করবেন। বাকি দুবেলা দুধ, ফল ইত্যাদি সংগ্রহ করে স্বল্প পরিমাণে আহার করবেন। আশ্রয়হীন অবস্থায় মন্দিরে দেবালয়ে ক্ষণকালের জন্য আশ্রয় নিতে পারেন। পোশাক-পরিচ্ছদ থাকবে নিতান্তই সাধারণ। অতীত জীবনের স্মৃতি সব পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকবেন। সন্ন্যাস আশ্রমের এসব নিয়মকানুনের সাথে উদ্দীপকের ধীমান বাবুর পালনীয় নিয়মকানুন একেরারে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, ধীমানবাবু আশ্রমের চতুর্থ স্তর অর্থাৎ সন্ন্যাস আশ্রমে জীবনযাপন করছেন। এ আশ্রমে জীবনযাপনের মাধ্যমে তিনি মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি অর্থাৎ ঈশ্বর লাভ করতে পারবেন।

5 views

Related Questions