1 Answers
উদ্দীপকের মারুফ সাহেবের বেপরোয়া জীবনযাপনে তার পিতা উদ্বিগ্ন। তিনি একদিন তাকে ডেকে বললেন, বাবা! মহান আল্লাহ আমাদেরকে ভালোমন্দ যাচাই করে কাজ করার ক্ষমতা দিয়েছেন এবং এর পুরস্কার ও শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। তাই মহান আল্লাহকে ভয় করে তার আদেশ-নিষেধ মেনে দায়িত্বশীল জীবনযাপন করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।
মারুফ সাহেবের পিতার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাকওয়াপূর্ণ জীবনযাপনের কথা পরিস্ফুটিত হয়ে উঠেছে। যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে, মহান আল্লাহ সবকিছু জানেন। শোনেন ও দেখেন, তিনি মানুষের অন্তরের গোপন খবরও জানেন, তাঁর কাছে মন্দকাজের জবাবদিহি করতে হবে। সে ব্যক্তি কোনোরকম পাপ চিন্তা করতে বা পাপকর্মে লিপ্ত হতে পারে না। কারণ সে জানে যে, অন্য সবাইকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও আল্লাহ তায়ালাকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। যে মুমিনের অন্তরে তাওয়া বিদ্যমান, সে কোনো অবস্থাতেই প্রলোভনে পড়বে না এবং নির্জন স্থানেও পাপকর্মে লিপ্ত হবে না। চরিত্র গঠনে তাওয়া একটি সুদৃঢ় দুর্গস্বরূপ। যার অন্তরে তাক্তয়া আছে সে সর্বত্রই আল্লাহর উপস্থিতি অনুভব করে। সে পাপ করতে পারে না। পক্ষান্তরে, যার মধ্যে তাক্তয়া নেই, সে নিষ্ঠাবান ও সৎকর্মশীল হতে পারে না। তার সব কাজকর্মই হয় লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে। অন্তরে তাক্তয়া না থাকলে মানুষ যেকোনো দুর্বল মুহূর্তে পাপকর্মে লিপ্ত হতে পারে। আল্লাহর কাছে তাকওয়ার মূল্য সর্বাধিক।
পরিশেষে বলা যায়, মারুফ সাহেবের প্রতি তার পিতার উপদেশ বা পরামর্শ তাকওয়াপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্ববহ।