1 Answers
উদ্দীপকের প্রীতম বাবুর কার্যকলাপ গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্ভুক্ত।
প্রীতম বাবু একজন চাকরিজীবী। তার ছেলে-মেয়ে কলেজে পড়ালেখা করে। প্রিতম বাবুর বাড়িতে কোনো মানুষ এলে না খেয়ে ফিরে যেতে দেন না। প্রীতম বাবু তার সন্তানদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করেন। অতিথিসেবাসহ পরিবার ও সমাজের প্রতি তার কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। মানুষের শতবর্ষের জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ গার্হস্থ্য আশ্রমে মানুষ প্রীতম বাবুর অনুরূপ কাজগুলোই করে থাকেন। আশ্রম ধর্ম অনুযায়ী বিদ্যাশিক্ষা সমাপ্ত হলে গুরুর নির্দেশে নিজ গৃহে ফিরে গার্হস্থ্য জীবনে প্রবেশ করে মানুষ। এ পর্যায়ে তাকে বিয়ের মাধ্যমে সন্তান-সন্তুতি জন্ম দিয়ে তাদের ভরণ-পোষণসহ পাঁচটি যজ্ঞকর্মের অনুশীলন করতে হয়। মানুষ তার দৈনন্দিন চাহিদা পণ্য যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদি সমাজের ভিন্ন ভিন্ন লোকের নিকট থেকে পেয়ে থাকে। সামাজিক চাহিদার কারণে তাই মানুষ মঠ, মন্দির, উপাসনালয়, বিদ্যালয়, চিকিৎসালয় ইত্যাদি স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেবাকর্ম অনুশীলন করে। এ সমস্ত কর্মের মধ্য দিয়ে সমাজের প্রতি তারা কর্তব্য সম্পাদন করে থাকে। প্রীতম বাবুও বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের প্রতি কর্তব্য সম্পাদন করেছেন।
সুতরাং বলা যায় যে, প্রীতম বাবু গার্হস্থ্য আশ্রম পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।