1 Answers
প্রদীপ বাবুর কৃতকর্মের মধ্য দিয়ে হিন্দুধর্মের জীবসেবা বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে।
প্রদীপ বাবু যেকোনো স্থানে আহত প্রাণী দেখলেই বাসায় এনে শুশ্রুষা করেন। সে মনে করে এ পৃথিবীর সব জীবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাছাড়া ঈশ্বর সবসময় সব জীবে আত্মারূপে অবস্থান করেন। তাই জীবের যত্ন বা সেবা করা মানে ঈশ্বরেরই সেবা বা যত্ন করা। এ অনুভূতিতে সে যেকোনো স্থানের আহত প্রাণীকে সেবা করেন। ধর্মগ্রন্থেও আমরা দেখতে পাই জীবসেবাকেই ঈশ্বর সেবা মনে করে জীবসেবার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন-
বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর
জীবে প্রেম করে যেই জন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর ॥
এর তাৎপর্য হচ্ছে, বহুরূপে অর্থাৎ বহু জীবরূপে ঈশ্বর আমাদের সম্মুখেই আছেন। তাই তাঁকে খুঁজে বেড়ানোর দরকার নেই। যিনি জীবকে ভালোবাসেন, জীবের সেবা করেন, তিনি জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বরকেই সেবা করেন।
তাই বলা যায় যে, প্রদীপ বাবুর কৃতকর্মের মধ্যে হিন্দুধর্মের জীবসেবার বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে।