1 Answers
মলয় বাবুর কাজের মধ্যে স্রষ্টার অবতাররূপের প্রতিফলন ঘটেছে।
দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন এবং ধর্ম রক্ষার জন্য ঈশ্বর নানারূপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন বা নেমে আসেন। যেমন- নৃসিংহ, রাম, শ্রীকৃষ্ণ প্রভৃতি ঈশ্বরের অবতার। পরম সত্তা বা পরমেশ্বর থেকে উদ্ভূত সকল অবতারই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকের ধার্মিক ব্যক্তি মলয় বাবুও সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেন। তার মাঝে ভগবানের অবতাররূপের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। শ্রীমদ্ভগবত পুরাণে বলা হয়েছে ভগবান বিষ্ণু অনেকবার অবতার হিসেবে বিশেষ বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এ পৃথিবীতে এসেছেন। বিভিন্ন যুগে ভগবান বিষ্ণু দশবার অবতার হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বিষ্ণুর দশ অবতার হচ্ছে- ১. মৎস্য, ২. কূর্ম, ৩. বরাহ, ৪. নৃসিংহ, ৫. বামন, ৬. পরশুরাম, ৭. রাম, ৮. বলরাম, ৯. বুদ্ধ ও ১০. কল্কি। স্রষ্টার স্বরূপ সম্পর্কে সবশেষে বলা যায়, ব্রহ্মরূপে স্রষ্টা নিরাকার, নির্গুণ। ব্রহ্ম যখন জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন, তখন তিনি হন ঈশ্বর। ঈশ্বর যখন মঙ্গলকর কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য জীবরূপে পৃথিবীতে অবতরণ করেন তখন তাঁকে অবতার বলা হয়। ব্রহ্ম, ঈশ্বর, ভগবান ও অবতার আলাদা নয়, এ হচ্ছে একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টা বা ব্রহ্মেরই ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ। মলয় বাবুর মাঝে স্রষ্টার এ অবতাররূপেরই প্রতিফলন ঘটেছে।