1 Answers
ছামছুল সাহেবের কর্মে হযরত উমর (রা.)-এর ন্যায়পরায়ণতা ও প্রজাবাৎসল্য ফুটে উঠেছে।
হযরত উমর ফারুক (রা.) ছিলেন ন্যায় ও ইনসাফের এক মূর্ত প্রতীক। আইনের চোখে তিনি ধনি-গরিব, উঁচু-নীচু, আপন-পরের মধ্যে, কোনো ভেদাভেদ করতেন না। মদ্যপানের অপরাধে স্বীয় পুত্র আবু শাহমাকে তিনি অত্যন্ত কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন। তিনি সবকিছুর উর্ধ্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আইনকে স্থান দিতেন। উদ্দীপকের হামছুল সাহেবও হযরত উমর (রা.)-এর উক্ত আদর্শ অনুসরণ করে নিজ ছেলের অপরাধের জন্য ছেলেকে কঠোর শাস্তি দেন। হযরত উমর (রা.) ছিলেন মানব দরদি ও প্রজাদরদি একজন মহান শাসক। জনসাধারণের অবস্থা দেখার জন্য তিনি রাতের অন্ধকারে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেড়াতেন। ক্ষুধার্ত শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে নিজ কাঁধে করে আটার বস্তা নিয়ে তিনি তাঁবুতে দিয়ে আসেন। স্বীয় স্ত্রী উন্মে কুলসুমকে, প্রসব বেদনায় কাতর এক বেদুইনের স্ত্রীকে সাহায্য করার জন্য তার ঘরে নিয়ে যান। পৃথিবীর রাজা-বাদশাহদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এমন প্রজাবৎসল শাসক আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এ অবস্থা উদ্দীপকের ছামছুল আলমের মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। কারণ তিনিও হযরত উমর (রা.)-এর মতো তার এলাকায় জনগণের অবস্থা স্বচক্ষে দেওয়ার জন্য রাতের অন্ধকারে পাড়ায়- মহল্লায় ঘুরে বেড়ান।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ছামছুল সাহেব হযরত উমর (রা.)- এর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন।