1 Answers
হযরত নূহ (আ)-এর চরিত্রে অস্থির ও অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে ধৈর্যশীলতা, ক্ষমাশীলতা ও উদারতার সমাবেশ ঘটলে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর একটি বিশেষ গুণ তাঁর মধ্যে ফুটে উঠত।
পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে অসহিষ্ণু মনোভাব পরিহার করে ধৈর্যশীল হতে হবে। উদারতা দিয়ে মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করতে হবে। অজ্ঞতা, কুসংস্কার, অন্যায় ও অত্যাচারের অবসান ঘটিয়ে স্রষ্টার নির্দেশিত পথে সবাইকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মহৎ ও ক্ষমাশীল হতে হবে। এই পৃথিবীতে যাঁরা মহৎ হিসেবে আমাদের কাছে অনুকরণীয় তাঁরা সবাই ক্ষমাশীল ছিলেন।
উদ্দীপকে হযরত নূহ (আ)-এর অসহিষ্ণু মনোভাব ও উদারতার অভাবের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি যাদের সত্যের পথে আহ্বান করেছিলেন, তাদের মধ্যে যারা তাঁর বিরোধিতা করে তাঁর শত্রুতে পরিণত হয়েছিলেন তিনি তাদের ক্ষমা করে দিয়ে তাঁর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা দিয়ে মানবিকবোধে উন্নীত করতে পারেননি। তিনি স্রষ্টার কাছে তাঁদের ধ্বংসের জন্য প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.) শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য কখনো আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেননি। প্রার্থনা করেছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য।