1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত যুক্তিবিদ্যার শাখাটি হলো প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার বহুবিধ সুবিধা আছে বলে মনে করি যা সাবেকি যুক্তিবিদ্যায় নেই। নিম্নে প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো-
i. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় ভাষার কিছু সীমাবদ্ধতা বা স্বাভাবিক দোষত্রুটি এড়ানো সম্ভব। যেহেতু যুক্তিবিদ্যা ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। অর্থাৎ ভাষায় যদি যুক্তি প্রকাশ করা হয় তবে সীমাবদ্ধতা বা ভ্রান্তি হতে পারে, কিন্তু প্রতীকের মাধ্যমে উক্ত ভ্রান্তি দূর করা সম্ভব। তাই প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ।
ii. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় যুক্তির আকার সহজে নির্ণয় করা যায়। আর সেটা হলে সহজে যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা নির্ণয় করা যায়। যেমন উদ্দীপকে মাহবুব সহজে যুক্তিগুলোর সমাধান করেছে।
iii. অনেক ক্ষেত্রে যুক্তির মধ্যে অপ্রয়োজনীয় অংশ থাকে, যা জটিলতা বাড়ায়। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় এই জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
iv. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় আমাদের সময়ের অপচয় রোধ হয়। V. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় সহজে অত্যন্ত জটিল যুক্তি প্রকাশ করা যায়।
vi. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা মননশীলতার অপচয় অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
vii. প্রতীকী যুক্তিবিদ্যায় শুধু গ্রাহক প্রতীকই ব্যবহার করে না, এটি ধ্রুবক প্রতীকও ব্যবহার করে থাকে। ফলে টেকনিক্যাল ভাষার সুবিধা লাভ করতে পারি।
অতএব, আমরা বলতে পারি যে, প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার বিশেষ সুবিধা রয়েছে। এটি যুক্তিবিদ্যার একটি শাখা। আর এর মাধ্যমে মাহবুব দ্রুত যুক্তিগুলোর সমাধান করে।